চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি)’র আয়োজনে আঞ্চলিক/স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকদের নিয়ে এক অবিতকরণ সভা অনুষ্ঠত হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা ১১ টায় ঢাকার সার্কিট হাউস রোডস্থ তথ্য ভবনের হল রুমে ‘ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধনকরণ) আইন ১৯৭৩ এবং সংবাদপত্র ও সাময়িকীর মিডিয়া তালিকাভুক্তি এবং নিরীক্ষা নীতিমালা ২০২২ প্রতিপালন’ বিষয়ক এ অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা খানম। অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও প্রকাশনা) মুহা. শিপলু জামান’র সঞ্চালনায় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নীরিক্ষা) সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ, উপ-পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নীরিক্ষা ও নিবন্ধন) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান, সহকারী পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নীরিক্ষা) তন্বী তাবাসসুম।
অবহিতকরণ সভায় সম্পাদকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ (বিএ এসপি)’র সভাপতি ও ঝালকাঠির দৈনিক শতকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু, সহ-সভাপতি ও ভোলার আজকের ভোলা পত্রিকার সম্পাদক মো. শওকত হোসেন, সহ-সভাপতি ও পটুয়াখালীর দৈনিক গণদাবী পত্রিকার সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়া, চট্টগ্রামের দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, নরসিংদির দৈনিক গ্রামীণ দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক কাজী আনোয়ার কামাল, রংপুরের দৈনিক যুগের আলো’র সম্পাদক মমতাজ শিরিন ভরসা, খুলনার দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, রাজবাড়ীর দৈনিক মাতৃকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল মতিন, টাঙ্গাইলের দৈনিক প্রগতির আলো পত্রিকার সম্পাদক আনোয়ার শাদাত ইমরান প্রমুখ।
বক্তারা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্রের সুসম বন্টন, বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্রে বাজেট বৃদ্ধি, বাজার দরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিজ্ঞাপন হার বৃদ্ধি, পত্রিকার মান উন্নয়ন ও শৃঙ্খলার জন্য নীরিক্ষা নীতিমালা অনুসরণ, ১৯৭৩ এর প্রেস এন্ড পাবলিকেশন আইন ডিক্লারেশন ও মিডিয়া করণের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রতিপালন এবং মিডিয়াবিহীন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া রোধের দাবি জানান।
সভাপতির বক্তৃতায় মহাপরিচালক খালেদা খানম নীরিক্ষা নীতিমালা ২০২২ বাস্তবায়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সম্পাদকদের দাবীগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দেন।









