দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনায় ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী গ্রেফতার করার পর বিএনপির ছাত্রদলের তোপের মুখে দশমিনা থানার এসআই।
ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮ ঘটিকার সময় দশমিনা সদর বাজার মানিকমিয়া চত্বরে।
জানা যায়, উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রবিক হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী। বৃস্পতিবার সন্ধ্যায় রাকিব দশমিনা বাজারে আসলে গনঅধিকার পরিষদের সধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া ও ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে বেদম মারধর করে দশমিনা থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
পরে দশমিনা থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মনির থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবুল বশার রাকিবকে কোন আইনের বলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যানতে চাইলে ঐ এসআই বলেন তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে। ওয়ারেন্টর কাগজ দেখতে চাইলে দেখাতে পারেনি ঐ এসআই। পরে ওয়ারেন্ট এর কাগজ না দেখাতে পারলে রাকিবকে থানায় নিয়ে যেতে পারবেননা জানান। এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে এসআইকে ঘিরে রাখে। পরে ওয়ারেন্ট এর কাগজ দেখিয়ে ওয়ারেন্টর আসামী রাকিবকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবুল বশার বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়রন গনঅধিকার পরিসদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতিক বিজয়ের জন্য কাজ করেছি। দশমিনা উপজেলায় কয়জন গনঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী আছে।
আজ গনঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক বিএনপির ছাত্রদলের চরবোরহান ইউনিয়নের সভাপতি রাকিবকে মারধরকরে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। এটা মানা যায়না। রাকিব পরীক্ষীত নেতা। আমরা বিএনপি করি কোন দিন গনঅধিকার করবোনা। গনঅধিকার পরিষদের এহেন আচরনে আইনশৃঙ্খলা অবনতি হবার সম্ভবনা বিদ্যমান।
গনঅধিকার পরিষদের দশমিনা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া বলেন, ওয়ারেন্টর আসামী পুলিশ ধরছে এখানে আমার কোন সম্পৃক্ততা নাই। আমি মানিক মিয়া চত্বরে হট্রগোল শুনে গিয়াছি। ছাত্রদলের আহবায়ক মনে করেন আমি তাকে ধরিয়ে দিয়েছি। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের সামনে আমাকে চার থাপ্পর দেয়। আমি নিরবে মেনে নিয়াছি।
দশমিনা থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন জানান, ওয়ারেন্টর ভিত্তিতে রাকিবকে ধরেছি। উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবুল বশার সহ ছাত্রদলের কিছু লোক আমাকে বাঁধা দেয় ওয়ারেন্টের কাগজ দেখার জন্য। প্রাথমিক ভাবে দেখাতে না পারলেও পরে দেখাই এবং তারা আসামী রাকিবকে থানায় পৌছাতে সহযোগিতা করেন।









