দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ছাত্র দলের মধ্যে সংঘর্ষে দুই জন আহতদের ঘটনা ঘটে।
উপজেলার দশমিনা সদর বাজার মানিক মিয়া চত্বরে বৃহস্পতিবার রাত ৯ ঘটিকার সময় এ ঘটনা ঘটে।
আহত হাসান ছাত্র অধিকার দশমিনা উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক, অপরজন সোহেল উপজেরা ছাত্রদলের সমর্থক।
জানা যায়, চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভপতি রাকিবকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মারধর করে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় গনঅধিকার পরিষদের দশমিনা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া ও ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক হাসান।
এই ঘটনা জানাজানি হলে মানিক মিয়া চত্বরে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হট্রগোল ও সংঘর্ষ হয়। উক্ত সংঘর্ষে ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক হাসান ও উপজেলা ছাত্রদলের সমর্থক সোহেল গুরুতর আহত হয়। পরে হাসানকে ও সোহেলকে দশমিনা হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ এইচ এম আলভির চিকিৎসাধীন আছে।
আহত হাসান আজকের পত্রিকাকে জানান, মানিক মিয়া চত্বরে লোকজনের ভীর দেখে সেখানে যাই। ঐখানে উপজেলা গনঅধিকার পরিষদের দশমিনা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া ছিলো। তখোন বিএনপির সহযোগী সংগঠনের ছাত্র দলের আনোয়ার মোল্লা, রিফাত, ইমতিয়াজ মোল্লা, রিদয় মোল্লা, ছিদ্দিক, তুহিন সিকদার আমাকে এলোপাথারি কিল-ঘুষি মারে এবং রাস্তার উপরে শোয়াইয়া পাড়ায়। আমি ঘটনা স্থলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে। আমি সুস্থ হয়ে আইনের আশ্রয় নিবো।
আহত ছাত্রদলের সমর্থক সোহেল জানান, মানিক মিয়া চত্বরে লোকজনের ভীর দেখে যাই সেখানে গনঅধিকার পরিষদেও সভাপতি মিলন ও ছাত্র অধিকার পরিষদেও দপ্তর সম্পাদক সক কয়েকজন আমাকে এলোপাথারি মারধর করে। আমার মাথায় প্রচন্ড আঘাত কওে আমি ঘটনা স্থলে অজ্ঞান হয়ে পরি। জ্ঞান ফিওে দেখি হাসপাতালে। আমি এর বিচার চাই।
উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক আবুল বশার জানান, চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্র দলের সভাপতিকে গনঅধিকার পরিষদের দশমিনা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া ও ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক হাসান মারধর করে পুলিশে দেয়। আমরা বিএনপি করি। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ট্রাক প্রতিকের নুরুল হক নুর ছিলেন তার সমর্থন করি। তাই বলে তার নেতাকর্মীরা বিএনপির লোকদের মারবে তা কোন ভাবেই মানবোনা। গনঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সাহস হয় কি করে বিএনপির নেতাকর্মীদের গায়ে হাত তোলার। বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা শান্ত। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই ঘটনা বিষয় দশমিনা থানা পুলিশকে জানিয়েছি। তারা সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।
দশমিনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ জানা, ঘটনার বিষয় শুনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।









