জালাল আহমেদ: পটুয়াখালীতে কাস্টমারদের ভরি ভরি স্বর্ণালংকারসহ লাখ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বর্ণব্যবসায়ী সুবীর কর্মকার কালু’র বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে পটুয়াখালী সদর থানা একটি জিডি হয়েছে। জিডি নং-১০৫৬।
কুট্টি কর্মকার কর্তৃক দায়ের করা জিডি ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, পটুয়াখালী শহরের নতুন বাজারের ব্যবসায়ী কুট্টি কর্মকারের দোকান ভাড়া নিয়ে সুবীর কর্মকার কালু মনিমালা জুয়েলার্স নামক সোনার ব্যবসা করে আসছিল। এ জুয়েলারী ব্যবসার নামে কালু বিভিন্ন মানুষের নিকট হতে লাখ লাখ টাকা ও বিভিন্ন কাস্টমারের গয়না বানানোর জন্য জমা দেয়া ভরি ভরি সোনা নিয়ে কাউকে না বলে, এমনকি দোকান মালিক সম্পর্কে চাচা কুট্টি কর্মকারের কয়েক বছরের দোকান ভাড়া না দিয়ে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ভোর রাতে দোকানে তালা লাগিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়।
পালিয়ে যাওয়ার ১৮ দিন পর পলাতক কালু কর্মকারের স্ত্রী রূপা রানী রাতে বাসায় এসে কুট্টি কর্মকার ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও ক্ষতি করার হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে মনিমালা জুয়েলার্স নামক দোকানের পার্শ্ববর্তী স্বর্ণ ব্যবসায়ী নতুন বাজারের লিটন কর্মকার জানান, স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রতারক কালু কর্মকার ব্যবসার নামকরে সোনাতন সেবা সংঘ সমিতি থেকে দেড় লক্ষ টাকা লোন নিয়েছে, সে টাকা না দিয়েই পালিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, গয়না বানানোর জন্য সোনা ও মজুরি টাকা দিয়েছি। কিন্তু প্রতারক কালু সোনা গয়না বানিয়ে না দিয়ে পালিয়েছে।
এ ব্যাপারে একাধিক ভুক্তভোগী কালুর নামে উকিল নোটিশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে। কালু এ রিপাের্ট লেখা পর্যন্ত পলাতক বলে জিডির বাদী কুট্টি কর্মকার নিশ্চিত করেছেন।









