শাদমান তাওমীদ শান্ত: ১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলের মাত্রা অনুযায়ী ৩ টি ভাগে ভাগ করা হয়।যার মধ্যে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে রিখটার স্কেল মাত্রা ৭, রাজধানীসহ মধ্যাঞ্চলে মাত্রা ৬ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রিখটার স্কেল মাত্রা ৫।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) ২০২০ অনুসারে ভূমিকম্পের তীব্রতা ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশেকে চারটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে :
জোন ১ঃ কম ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল- বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল যথা- বরিশাল, খুলনা, যশোর, রাজশাহী।
জোন ২ঃ মাঝারী ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ যার মধ্যে রয়েছে নোয়াখালী , ঢাকা , নারায়ণগঞ্জ, পাবনা,দিনাজপুর।এছাড়াও দক্ষিনাঞ্চলের কিছু অংশ যার মধ্যে সুন্দরবন অন্তর্ভুক্ত।
জোন ৩ঃ গুরুতর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল- উচ্চ মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম অংশ যার মধ্যে রয়েছে গাজীপুর, নরসিংদী , সিরাজগঞ্জ, রংপুর।
জোন ৪ঃ খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল- উত্তর-পূর্ব অংশ যার মধ্যে রয়েছে সিলেট , ময়মনিংহ, কুড়িগ্রাম অঞ্চল।
বাংলাদেশ মহাসাগরগুলো থেকে অনেক দূরে অবস্থান করায় এ দেশকে সরাসরি সামুদ্রিক ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয় না।ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত ৭ টি বড় গতিশীল প্লেট দ্বারা গঠিত।বাংলাদেশ ইউরেশিয়ান প্লেটে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থানের তুলনায় বাংলাদেশের জনসংখ্যার চাপ ভূমিকম্পের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত যার মধ্যে রাজধানী ঢাকা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।









