সাবেক ছাত্রদল নেতা ও শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস বলেছেন, “যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিল, তারা আবারও এ দেশে নির্বাচিত হওয়ার দুঃস্বপ্ন দেখছে। স্বাধীনতার শত্রু, গণহত্যা ও গণধর্ষণের সহযোগীদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত করা জাতির প্রতি এক অবমাননা। ‘৭১-এর সেই পাকিস্তানি দোসরদের আর ভোট চাইতে দেওয়া যাবে না। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির স্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেই।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো, বিচারব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক নীতিমালায় যে অসঙ্গতি তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে হলে তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল একটি রাজনৈতিক রূপরেখা নয়, বরং জাতির মুক্তি ও পুনর্গঠনের সনদ। এই দফাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেশকে একটি সুশাসিত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপ দেওয়া সম্ভব।”
আনিসুর রহমান আনিস বলেন, “আজ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতি ও দুঃশাসনে দেশ ক্লান্ত। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। আমরা চাই, দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে, ভোট দিতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ন্যায্য অংশীদার হতে পারে।”
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বটকাজল মাঝি বাড়ি এলাকায় “রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা” শীর্ষক এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জামাল হোসেনের সঞ্চলনায় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সুনীল সাধু। এসময় বক্তব্য রাখেন জিয়া গবেষণা পরিষদের পটুয়াখালী জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পার্সোনাল প্রেস সেক্রেটারি মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ, ঢাকা মহানগর নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনির হোসে প্রমুখ।









