পটুয়াখালীর দুমকির বহুল আলোচিত জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ জসিমের কন্যা লামিয়া আক্তারকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় মো. সাকিব মুন্সী ওরফে সাকির আল হাসান, সিফাত মুন্সী ও ইমরান মুন্সী এই তিন কিশোরকে ১০ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি আইনে মো. সাকিব মুন্সী ওরফে সাকির আল হাসান এবং সিফাত মুন্সীকে আরও তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিলুফার শিরিন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন। আদালতে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে এই রায় প্রদান করা হয়। পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল্লাহ আল নোমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে নানাবাড়ি ফেরার পথে চলতি বছরের ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় রাজগঞ্জ গ্রামে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে তিন কিশোর। পরদিন, ১৯ মার্চ- লামিয়া নিজেই বাদী হয়ে দুমকি থানায় মামলা করেন। ধর্ষণের এক মাস আট দিন পর, ২৬ এপ্রিল ঢাকার শেখেরটেকের একটি বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় লামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুরে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন জসীম উদ্দিন। এরপর ২৯ জুলাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।









