চলতি বছরেই দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪৩ লাখ পরিবারকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ বিজয় চত্বরে উপজেলা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রমাণ করেছেন, তিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। নির্বাচনের আগে সরকার গঠন করলে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যে দেবীগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের সমীক্ষা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে ১৩টি করে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবকে সম্মানী ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একইভাবে প্রতিটি ইউনিয়নে পাঁচটি করে মন্দিরের পূজারি ও সেবকদের সরকারি ভাতার আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং মন্দিরের পুরোহিত ও সেবকেরা এ সম্মানী ভাতার আওতায় আসবেন।
নদী ও খাল পুনঃখনন প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, জলাশয় ও খাল পুনঃখননের ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে নদীমাতৃক বাংলাদেশকে আবারও আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যেন খাদ্য রপ্তানি করতে পারে, সে লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে।
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করলে বেকার সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছেন। দেবীগঞ্জের করতোয়া নদীর পাশে প্রায় ২০০ একর খাসজমি তিনি পরিদর্শন করেছেন। সেখানে সোলার প্রকল্প, গ্রিন প্রকল্প ও ফুড প্রসেসিং জোন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হলেই কাজ শুরু করা হবে। তাঁর বিশ্বাস, ২০২৭ সালের মধ্যে ওই খাসজমিসহ দেবীগঞ্জের তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
দেবীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মুশফিকুর রহমান রাজুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব রোকনুজ্জামান সুমন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া, সহসভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মো. তোবারক হ্যাপি, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌকির আহমেদ তুহিন এবং দেবীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি ফরিদুল ইসলাম সরকারসহ স্থানীয় নেতারা।








