পিরোজপুরের কাউখালীতে হঠাৎ সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে একটি বসতঘর ও পাঁচটি ধর্মীয় উপাসনালয় (মন্দির)। এছাড়া হুমকির মুখে পড়েছে আরও অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি, যা যেকোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে উপজেলার আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে এই আকস্মিক ভাঙন দেখা দেয়।
ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার। এ সময় তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা ১৫টি পরিবারের মাঝে তাৎক্ষণিকভাবে শুকনো খাবার, চাল, ডাল, তেল, মরিচ, লবণ, মশলা ও শিশুখাদ্য বিতরণ করেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও’র সাথে উপস্থিত ছিলেন ,আমড়াজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মেহেদী হাসান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ মফিজুর রহমান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার বলেন,
আমড়াজুড়ি ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে আকস্মিক নদীভাঙনের খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। ভাঙনে একটি বসতঘর এবং স্থানীয় পাঁচটি মন্দির নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আরও বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
আমরা প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি পরিবারের তালিকা তৈরি করে তাদের মাঝে চাল, ডাল, তেল, লবণ, প্রয়োজনীয় মশলা ও শিশুখাদ্যসহ জরুরী ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছি, যাতে দ্রুততম সময়ে বাঁধ নির্মাণ বা প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।









