‘ফ্রেমে ফ্রেমে স্বপ্ন, গল্পে গল্পে জীবন’—এই স্লোগানে ইএসডিআই ফিল্ম সোসাইটির আয়োজনে বরিশালে দু’দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেল ৪টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলাম কচি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরউল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক মুহাম্মদ কাইয়ুম ও খন্দকার সুমন এবং অভিনেতা হায়দার আলী। বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক সংগঠক ও অনুষ্ঠানের অন্যতম স্পন্সর কানিজ জোহরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল চলচ্চিত্র উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক এস এম সাব্বির নেওয়াজ সাগর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইএসডিআই ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি জসিম উদ্দিন ইমন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ইএসডিআই ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম।
উদ্বোধনী দিনে পরিচালক তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এবং খন্দকার সুমনের ‘সাঁতাও’ চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
উৎসবের অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১১টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে চলচ্চিত্র বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী দিনে প্রদর্শিত চলচ্চিত্রগুলো হলো—নির্মাতা পরিচালক মোহাম্মদ নূরুজ্জামানের ‘আম কাঁঠালের ছুটি’, মুহাম্মদ কাইয়ুমের ‘কুঁড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’, মিশুক মনি’র ‘দেয়ালের দেশ’, সোহেল রানা বয়াতীর ‘নয়া মানুষ’, রাইসুল ইসলাম অনিকের ‘বিশ্বাস করেন ভাই’ এবং ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখারপুল’।
শত শত দর্শক বরিশাল চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির এলইডি স্ক্রিনে চলচ্চিত্র দেখে মুগ্ধ হন।
অনুষ্ঠানের অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বরিশালের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা শামসুদ্দীন আবুল কালাম ও আলমগীর কবিরসহ বরিশাল অঞ্চলে জন্ম নেওয়া নির্মাতা ও অভিনেতাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
বরিশাল চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত ছবিগুলো জীবনঘনিষ্ঠ ও সমাজের বাস্তব প্রতিচ্ছবি বলে মত প্রকাশ করেন ছবি দেখতে আসা দর্শক সাজ্জাদুল হক। তিনি বলেন, বরিশালে টিকে থাকা একমাত্র সিনেমা হল ‘অভিরুচি’তে যাওয়ার মতো অবকাঠামোগত কোনো পরিবেশ নেই। তাই সিনেমা দেখা হয় না। এবার বরিশাল চলচ্চিত্র উৎসবে শিল্পকলা একাডেমির নান্দনিক হলে বন্ধু-বান্ধবসহ ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছি।









