পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রণগোপাল ইউনিয়নের দক্ষিণ আদমপুর গ্রামের সফল কৃষি উদ্যোক্তা ও কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত সুলতান সরদারের কৃষি ফার্মে ছোট-বড় কাঁচা-পাকা মাল্টা শোভা পাচ্ছে। উপজেলায় দ্বিতীয় মডেল কৃষি খামার হিসেবে পরিচিত সুলতানের কৃষি খামারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চাষ করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় এবং এসএসসিপি-আইআরএস প্রকল্পের আওতায় মাল্টার চারা সংগ্রহ করে খামারে রোপণ করেন তিনি। বর্তমানে বাগানে মাল্টার সমারোহ বিরাজ করছে।
অল্প সময়ে ও অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভবান হওয়া যায় বলে মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়েছেন সুলতান। ফল হিসেবে মাল্টার চাহিদা থাকায় তিনি খামারে এ ফলের চাষ করেছেন।
উপজেলার রণগোপাল ইউনিয়নের দক্ষিণ আদমপুর গ্রামের সফল কৃষি উদ্যোক্তা ও কৃষিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত সুলতান সরদার জানান, ৪০ শতাংশ জমিতে ৪০টি মাল্টার চারা রোপণ করেছেন। বাগানের প্রতিটি গাছে মাল্টা ধরেছে। বাগানের একদিকে তাকালে শুধু মাল্টা দেখা যায়। এ বছর প্রায় ১ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
সুলতান সরদার বলেন, মাল্টা এমন একটি ফল, যা থেকে অল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়া যায়। তেমন একটা খরচ ও পরিশ্রম ছাড়াই জমিতে জৈব সার প্রয়োগ করলে এর ফলন ভালো হয়।
উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাল্টার বাগান পরিদর্শন করেছেন। বাগানে মাল্টার ফলন দেখে তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে বাগান থেকে পাকা মাল্টা পেড়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদকে খাওয়ানো হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, মাল্টা একটি বিষমুক্ত ফল। উপকূলের মাটি মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ উপজেলায় মাল্টা চাষেও বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করা যায়।









