পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে কর্মরত কর্মচারীদের ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সম্মুখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১ টা থেকে ২ ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

অবস্থান কর্মসূচিতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কর্মচারী ইউনিয়ন ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ খবির উদ্দিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ এনামুল হক।
তারা বলেন, ‘‘এই ৫ দফা দাবী ৭ মামলা বাস্তবায়ন, মাষ্টাররোল কর্মচারীদের নিয়মিতকরণ ও বেতন সমস্যা সমাধানের জন্য। সারা বাংলাদেশে শত শত কর্মচারীরা চাকুরী জীবন শেষ করছে শূন্য হাতে আমরা আমাদের জীবন যৌবন শেষ করছি। এই ডিপার্টমেন্টে কিন্তু আমাদের নিয়মিত করণ করা হয় নাই। সার্ভিস বুক আছে কিছু চাকুরী শেষে শূন্য হাতে বিদায় হতে হচ্ছে। যা চরম হতাশার বহিপ্রকাশ।’’
এছাড়াও অবস্থানরত কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য প্রদান করেন পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কর্মচারী ইউনিয়ন ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা মোঃ হায়দার আলী, সহ-সভাপতি হাফেজ মোঃ মোস্তফা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ল হুমায়ুন কবির রিপন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরদাউসুল আলম, প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম খান, সদস্য মোঃ মহাশিন।
সর্বোপরি কর্মসূচিতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পেশ করেন, পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ কর্মচারী ইউনিয়ন ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি মোঃ নাজমুল হুদা।
তিনি বলেন, ‘‘তাদের এই ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’’ পরবর্তীতে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও এসময় হুশিয়ারি দেন তিনি।
কর্মবিরতি শেষে তারা র্যালি নিয়ে পটুয়াখালী সড়ক বিভাগ দপ্তরে প্রদক্ষিণ করে এবং কর্মচারী ইউনিয়নের অফিসের সামনে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের কর্মসূচিতে ৫ দফা দাবিগুলো হলো:-
১। মাষ্টাররোল কর্মচারীদের সার্ভিস রুলস প্রণয়ন, চাকুরীর নিশ্চিয়তা ও গ্রেড অনুযায়ী বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা।
২। ২৭ (সাতাশ) মামলার ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের সার্ভিস বুক অনুযায়ী পুনরায় প্রজ্ঞাপন জারীসহ দ্রুত নীতিমালা অনুমোদন করতে হবে এবং ০৭ (সাত) মামলাসহ সকল চলমান মামলাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন/নিষ্পত্তি করতে হবে। মামলা বাস্তবায়ন/নিষ্পত্তির পূর্বে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে হবে।
৩। নিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ীকরণ, গাড়ি চালকদের অধিকাল ভাতা পরিশোধের দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
৪। ২০১৫ নিয়োগ বিধি সংশোধন পূর্বক বাংলাদেশ সচিবালয়ের আদলে অভিন্ন নিয়োগ বিধি প্রণয়ন করতে হবে।
৫। প্রকল্পের কর্মচারীদেরকে প্রকল্পের মেয়াদ সমাপ্ত হলে নতুন প্রকল্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থানান্তর করতে হবে।









