ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন ‘‘আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজি-দুর্নীতি-লুটপাট ও দুঃশাসনে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিলো। আজকে গণ-অভ্যুত্থানের পরেও যদি আমরা গলাবাজি করি এক আর কাজে করি আরেক, তাহলে মানুষ কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধেও দাঁড়াবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদেরকে পরিবর্তন করুন। পরিবর্তন না হলে নতুন রাজনীতিতে কিন্তু আপনারাও ছিটকে পড়বেন।’’
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল ৫ টায় তার নিজ জেলা পটুয়াখালীতে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নুরুল হক নুর।
এসময় তিনি আরো বলেন, ‘‘প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে আমাদের কথা বলা প্রয়োজন। এখন কিভাবে একটি অবাধ-সুষ্ঠ-নিরপেক্ষ নির্বাচন করা যায়, কিভাবে জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের একটা ব্যবস্থা করা যায়, আমাদের সকল রাজনৈতিক দলকে সেদিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। আমরা যদি শুধু কথার বাহাসে, টেলিভিশন-পত্র-পত্রিকায় নিউজের হেডলাইনের জন্য বাকযুদ্ধ চালাই, সেই পরিস্থিতি কারো জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না।’’
নুরুল হক নুর বলেন ‘‘আমাদের মধ্যে যদি রাজনৈতিক বিভাজন থাকে, অনৈক্য থাকে, তাহলে ওই পতিত স্বৈরাচারী শক্তি আবারও ফিরে আসবে, ফ্যাঁসিবাদ মাথাচাড়া দিবে, সেসময় আমরা কিন্তু কেউ নিরাপদ থাকবো না।’’
জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে পটুয়াখালীর চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত পথসভায় জেলা যুবঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুবেল মাহমুদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন কেন্দ্রীয় উচ্চতর পরিষদের সদস্য কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম ফাহিম, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাসেল, কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, শিল্প- বানিজ্য ও বৈদেশিক বিনিয়োগ বিষয়ক সহ সম্পাদক হোসাইন মোঃ শাহদাত, জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটু প্রমুখ।
পথসভায় জেলা গণঅধিকার পরিষদ, যুবঅধিকার পরিষদ, শ্রমিকঅধিকার পরিষদ ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী সহ জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।









