পটুয়াখালীতে চোরের উপদ্রুপ বৃদ্ধি। আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা।
পটুয়াখালী সদর থানায় একাধিক জিডি ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানাগেছে, ১৫ জুলাই গভীর রাতে সদর রোডের সেতু জুয়েলার্স এর স্বর্নকারের দোকানের পিছনে ১০ ইষ্ণি ওয়াল কেটে চোর ভিতরে ঢুকে কারিগরের বাক্স ভেঙ্গে ৭ ভরি স্বর্ন ও ৮ ভরি রৌপ্যের বিভিন্ন গহনা নিয়ে যায়। দোকানী শ্যামল দে বলেন সিন্ধুকের তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করেছিল। চোর ভাঙ্গতে পারেনি। সিন্ধুকে ৩০ বছরের কাস্টমারের জমারাখার সোনার গহনা ছিল। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( সদর সার্কেল) কিশোর রায় ও থানার ওসি মনিরুজ্জামানসহ স্থানীয় পুলিশের কর্মকর্তা ঘটনাস্থান পরিদর্শন করে সিসি ফুটেজ দেখেছেন। সিসি ক্যামেরায় দেখাগেছে লম্বা পাতলা মুখোশপড়া উলঙ্গ হয়ে চোর কারিগরের বাক্স থেকে সোনা গহনা একটি ব্যাগে তুলছেন। জিডির পর থেকে এ রিপোার্ট লেখা পর্যন্ত চোরকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
অথচ জনৈক এক ম্যাজিস্ট্রেট এর বাসা থেকে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি হওয়ার একদিনের মধ্যে বেল্লাল নামক একজনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে আক্ষেপ করেন স্বর্ন ব্যবসায়ী শ্যামল দে জানান।
উক্ত সেতু জুয়েলার্স দোকানে দুধর্ষ চুরির ঘটনার ২১ দিনপর ১৫/২০ গজ দূরে ভূমি অফিসের সামনে তুহিন তালুকদারের কসমেটিক্স, বিকাশ, ফ্লাক্সি ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভির্সে দুধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। চোরদল দোকানে থাকা নগদ দুই লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা, দুটি বিকাশ ফ্লেক্সিলোড মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী যার মূল্য আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। এ ব্যাপার সদর থানায় জিডি করা হলে এসআই নাজমুল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে ক্ষতিগ্রস্থ তুহিন তালুকদার জানান। এছাড়া শহরের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লোকজন ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে বলে স্থানীয় একাধিনজন জানান। এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, আমরা এ সব ঘটনার উদঘাটন ও প্রতিকারের জন্য কাজ করছি। #









