পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দর নৌপুলিশের সদস্যদের সঙ্গে আশাখালী মৎস্যঘাটের জেলে ও ব্যবসায়ীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নৌপুলিশের একটি বোট লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপী চলা এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
শুক্রবার (১ আগস্ট) সকাল প্রায় ১১টার দিকে আশাখালী মৎস্য ল্যান্ডিং ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাবনাবাদ চ্যানেলে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগে একটি ট্রলারের জেলেদের ধাওয়া করে নৌপুলিশ। ধাওয়া খেয়ে ট্রলারটি দ্রুত রাবনাবাদ চ্যানেল থেকে খাপড়াভাঙা শাখা নদীর আশাখালী এলাকায় প্রবেশ করে। এ সময় নৌপুলিশের ট্রলারও সেখানে পৌঁছালে একটি বোটের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে বোটটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জেলে ও স্থানীয় কয়েকজন নৌপুলিশের বোট লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং ধাওয়া দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নৌপুলিশের সদস্যরা নিরাপদ স্থানে সরে যান। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পরে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ও নৌপুলিশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
পায়রা বন্দর নৌপুলিশের পরিদর্শক নয়ন কারকুন বলেন, “মূলত ভুল বোঝাবুঝি থেকে সাময়িক একটি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসে বিষয়টির সুন্দর সমাধান করা হয়েছে। বর্তমানে এ নিয়ে আর কোনো সমস্যা নেই।”
আশাখালীর মৎস্য ব্যবসায়ী শামীম রেজা বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। পরে শুনেছি ভুল বোঝাবুঝির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হয়েছে।”







