পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, “আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে, তার সবটুকু দিয়েই বাউফলের মানুষের জন্য কাজ করে যাব। মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমার দায়িত্ব ও অঙ্গীকার।”
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর ১২টায় বাউফল উপজেলা অডিটোরিয়ামে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুদানের চেক বিতরণ এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঘর নির্মাণের উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহাম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আতিকুর রহমান নজরুল, জামায়াত নেতা মো. নুরুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুদানের আওতায় উপজেলার ৫০টি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে মোট ৫ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারের প্রত্যেককে ঘর নির্মাণের জন্য দুই বান্ডিল টিন এবং নগদ ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ১০ হাজার টাকা কোনো পরিবারের জন্য বড় সহায়তা না হলেও তা তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় কিছুটা স্বস্তি এনে দেবে। এ অনুদানের জন্য তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও সরকারি অনুদান প্রদানে বৈষম্যের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংসদের ভেতরে ও বাইরে তারা কথা বলে যাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি শুধু দলীয় প্রধানমন্ত্রী নন, গোটা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বাউফলের উন্নয়নেও তিনি সমান গুরুত্ব দেবেন।” দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সব এলাকার মানুষের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ড. মাসুদ আরও বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা নয়, বরং প্রকৃত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্তদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তথ্য সংগ্রহে স্থানীয় নেতারা সহযোগিতা করলেও চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নে প্রকৃত হকদারদেরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উপকারভোগীদের হাতে অনুদানের চেক, টিন ও নগদ অর্থ তুলে দেন।









