পটুয়াখালীতে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সনাক, ইয়েস (YES) ও অ্যাকটিভ সিটিজেনস গ্রুপ (এসিজি)-এর সদস্যদের অংশগ্রহণে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে পটুয়াখালী কোডেক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত এ সভায় সনাক, ইয়েস ও এসিজির মোট ১৩৩ জন সদস্য অংশ নেন।
সভায় ২০২২ সাল থেকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বাস্তবায়িত ‘প্যাকটা’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভূমি খাতে পরিচালিত নাগরিক উদ্যোগের অগ্রগতি, অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দলভিত্তিক আলোচনায় স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতির বিভিন্ন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে নাগরিক উদ্যোগ ও তরুণদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সনাক পটুয়াখালীর সভাপতি অ্যাডভোকেট শহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক ও সনাক সদস্য রাধেশ্যাম দেবনাথ। সভার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন টিআইবির সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর (সিই) কাজী শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে নিজেকে আগে সৎ হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।”
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট শহিদুর রহমান বলেন, “দেশের প্রতিটি খাতে দুর্নীতি বিস্তার লাভ করেছে। দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এজন্য ব্যক্তিগত সততা, সাহস এবং নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই।”
উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। এ সময় বক্তব্য দেন সনাক সদস্য সৈয়দ মিজানুর রহমান, মো. জাবিদুল হক খান, ইয়েস দলনেতা মো. শাকিলসহ অন্যরা।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে উপস্থিত সদস্যদের দুর্নীতিবিরোধী শপথবাক্য পাঠ করান সনাক সভাপতি অ্যাডভোকেট শহিদুর রহমান।
দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ পর্বে সনাক, ইয়েস ও এসিজি সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইয়েস সহদলনেতা আলিমা আক্তার ও ইয়েস সদস্য মো. মিরন মাহমুদ।








