বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে ১১ জন জেলেসহ একটি ফিশিং বোট ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৬ জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ জেলেদের পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ০৪ জুলাই ২০২৬ খ্রি. রাতে গলাচিপা থানাধীন পানপট্টি লঞ্চঘাট থেকে মো: এমাদুল সিকদার (৪০) (পিতা- ইদ্রিস সিকদার, সাং- খরিদা, ইউপি- পানপট্টি)-এর মালিকানাধীন একটি ফিশিং বোট নিয়ে মোট ১১ জন জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
পরদিন অর্থাৎ ০৫ জুলাই ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকার সময় গভীর সাগরে হঠাৎ তীব্র ঝড়ের কবলে পড়ে ফিশিং বোটটি উল্টে যায় এবং সাগরে ডুবে যায়।
উদ্ধার ও নিখোঁজের তালিকা
বোটটি ডুবে যাওয়ার পর কাছাকাছি থাকা অন্য একটি ফিশিং বোটের জেলেরা তাৎক্ষণিকভাবে এগিয়ে আসেন।
তারা বোটের মালিক মো: এমাদুল সিকদারসহ মোট ৫ জন জেলেকে জীবিতাবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে বাকি ৬ জন জেলে ভেসে যান। ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন:
১. মো: হারুন (৪৫), পিতা- মৃত গেদু হাওলাদার, সাং- দক্ষিণ পানপট্টি।
২. মো: এমাদুল (৪৫), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- পানপট্টি।
৩. মো: ফোরকান (৫৫), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- ইছাদি।
৪. মো: আল আমিন (২২), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- ইছাদি।
৫. মো: সায়েম (২০), পিতা- ফোরকান হাওলাদার, সাং- ইছাদি।
৬. মো: আকাশ (২৫), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- পক্ষিয়া।
(নিখোঁজ সবার বাড়িই পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার অন্তর্গত)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। সাগরে নিখোঁজ স্বজনদের জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় বুক বেঁধে নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন তাদের পরিবার-পরিজন।








