
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৌরভ হাওলাদারের সঙ্গে একই গ্রামের এক তরুণীর মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হলে মেয়ের পরিবার দ্রুত অন্যত্র তার বিয়ে সম্পন্ন করে। এরপরও সৌরভ ওই তরুণীকে বারবার ফোন করে বিরক্ত করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে তরুণীর বাবা রফিক গাজীর সঙ্গে সৌরভের বাকবিতণ্ডা হয়।
এর জেরে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে সৌরভ নিজ বাড়ির পাশের একটি গাছে রশি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এর প্রায় এক ঘণ্টা পর সৌরভের মামা রুবেল গাজীর নেতৃত্বে ৮-১০ জন রাহিমার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি রফিক গাজীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এছাড়া পরিবারের আরও কয়েকজন আহত হন।
রফিক গাজীর স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, মেয়ের বিয়ের পরও সৌরভ তাকে ফোনে বিরক্ত করতেন। এর জেরে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। মেয়ের বিয়ের স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সৌরভের মামা রুবেল গাজী মুঠোফোনে বলেন, “আগে রোগী সুস্থ হোক, তারপর সব বলব।”
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

