দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ককটেল বিস্ফোরণ মামলার প্রধান আসামি মোঃ ইউনূস খলিফাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২ ঘটিকার সময় উপজেলা রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের চরশহজালাল মৌজায় মোঃ ফজলুল হক কালু ০২.০২.১৯৮৭ সালে সরকার কতৃক ২একর ৫০ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত মূলে মালিক থাকিয়া ভোগ দখলে থাকে। গত ১৩ ডিসেম্বর/২০২৫ ইং তারিখ দুপুর ১ঘটিকার সময় মোঃ ইউনূস খলিফার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন দেশী-বিদেশী সন্ত্রসী বাহিনী নিয়ে জমি দখল করার জন্য ওই জমির দক্ষিণ পাশের নির্মানাধীন একটি ঘরের সামনে ২-৩ টি ককটেন বিস্ফোরণ করে জনমনে আতংক তৈরিকরে এবং পেট্রোল দিয়ে একটি নির্মানাধীন ঘর পুড়িয়ে দেয়। তার পর তারা চলেে যায়। এই ঘটনায় মোঃ ফজলুল হক কালু বাদী হয়ে ১৪,১২,২০২৫ ইং সনে মোঃ ইউনূস খলিপফকে প্রধান আসামি করে ১১জন এবং অজ্ঞত নামা ১১/১৫ জনের বিরুদ্ধে ককটেল বিস্ফোরণ, ঘর পোড়ানো, মালামাল লুটের মামলা করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায় দশমিনা উপজেলার চরশাহজালাল মৌাজার চর শাজজালাল বাসিন্দা মোঃ ফজলুল হক কালু সরাকরের কাছ থেকে বন্দোবস্ত মূলে ২ একর ৫০ শতাাংশ জমিতে চাষাবাদ সহ ঘন নির্মান করে বসবাস করে আসছে। ওই জমি অবৈধ দখল করার জন্য মােঃ ইউনূস খলিফা ৩০-৪০ জন সন্ত্রসী বাহিনী নিয়ে ১৩ ডিসেম্বর/২০২৫ দপুর ১ ঘটিকার সময় ককটেল বিস্ফোরণ সহ সন্ত্রসী হামলা করে বসতঘর পুড়িয়ে ফেলে।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোঃ ফজলুল হক কাল বাদী হয়ে মোঃ ইউনূস খলিফাকে প্রধান আসামি করে ১১ জন এবং অজ্ঞাতনামা ১১-১৫ জনের বিরুদ্ধে ককটেল বিস্ফোরণ আইনে মামলা করেন। দশমিনা থানায় মামলা রুজু হবার পর থেকে আসামিরা আত্নগোপনে থাকে। আজ মামলার প্রধান আসামি মোঃ ইউনূস খলিফাকে দুপুর ১২ ঘটিকার সময় গ্রেফতার করা হয়।
মামলার তদন্তকারি থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসাআই) মাসুম বিল্লাহ জানান, ঘটনার বিষয়ে থানায় মামলা রুজু হবার পর থেকে আসামিরা পালাতক। আজ মামলার প্রধান আসামিকে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, ককটেল বিস্ফোরণ মামলার এজার নামিয় আসামিরা দীর্ঘদিন আত্নগোপনে ছিলো। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২ ঘটিকার সময় ককটেল বিস্ফোরক মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে । আজ দুপুর তিন ঘটিকার সময় আদালতে পেরন করা হয়েছে। এই মামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।








