হায়াতুজ্জামান মিরাজ: বরগুনার তালতলী থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল ফারুক গাজী (৫৫) চিরকুট লিখে গ্যাস টেবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন।
রবিবার (১৪ জুন) সকালে থানার ভেতরের পুলিশ ব্যারাক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আত্মহত্যার পূর্বে তিনি একটি চিরকুট লিখে গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তালতলী থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাতের ডিউটি শেষে ভোরের দিকে ব্যারাকে এসে ঘুমিয়ে পড়েন কনস্টেবল ফারুক গাজী। পরবর্তীতে রবিবার সকালের কোনো এক সময় তিনি ব্যারাকে বসেই ‘গ্যাস ট্যাবলেট’ (এক ধরনের কীটনাশক) সেবন করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ব্যারাকের অন্যান্য সহকর্মীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, আত্মহত্যার আগে কনস্টেবল ফারুক গাজী একটি চিরকুট লিখে গেছেন। তবে চিরকুটে কী লেখা ছিল বা আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণই বা কি, তা তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
কনস্টেবল ফারুকের বাড়ী ঝালকাঠির জেলার রাজাপুর উপজেলার আঙ্গারিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম রত্তন গাজী।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি গ্যাস টেবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে তিনি এমন পথ বেছে নিয়েছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









