মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ বলেছেন, ‘গ্রামীণ সহিংসতা, নারীর প্রতি সহিংসতা, মাদক নিরসনে ও পারিবারকি বিরোধ নিষ্পত্তি করতে কিংবা জমিজমার অধিকাংশ বিরোধ নিরসনে গ্রাম আদালতের কার্যকরীতা অনেক বেশি। গ্রামীণ জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই। একজন জনপ্রতিনিধি ইচ্ছা করলে তার ইউনিয়নের ৯০ ভাগ সমস্যা অসঙ্গতি গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে পারেন।’ কিন্তু এটি যথাযথভাবে করা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন।
আজ রবিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব বলেন। পাওয়ার পয়েন্টে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক।
স্থানীয় সরকার বিভাগ বাস্তবায়নাধীন বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমন্বয়কারী রাশেদ খান। অন্যান্যেও মধ্যে বক্তব্য রাখেন গ্রাম আদালত উপজেলা সমন্বয়কারী ইয়াসমিন।
অন্যান্যের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন, সিপিপির সহকারী পরিচালক আছাদুজ্জামান খান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্বাস আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকসেদুল আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজর মো. মনিরুজ্জামান খান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার, কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালতে যেটা হওয়ার কথা সেটা হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধিরা দায় এড়িয়ে যান। ফলে মধ্যস্বত্ত্বভোগী চক্র সালিশ বাণিজ্য করতে সুযোগ পাচ্ছে। এ ছাড়া যেটা গ্রামীণ আদালতের বিচার্য্য বিষয় তা নিরসনের জন্যে মানুষ সত্যিকারের আইনি প্রতিকার পাচ্ছেন না। কর্মশালায় প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে করণীয় বিষয়ে রিখিত সুপারিশ তুলে ধরেন। গ্রাম আদালতকে সঠিকভাবে সক্রিয় রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।








