এবিএম মিজানুর রহমান, বাউফল: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মধ্য পশ্চিম কনকদিয়া চুনারপোল জামে মসজিদের নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকার মুসুল্লিরা।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, চুনারপোল বাজার এলাকায় ৩৫ টির মত ছোট-বড় দোকান রয়েছে।
স্থানীয় লোকজন বলেন,ওই বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মুসুল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য ১৯৯৩ সালে সরকারি খাস জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করে। পরে স্থানীয় লোকজন ২০০৪ সালে ওই মসজিদের অপর পাশে বাজারের মধ্যে প্রায় ১২ শতাংশ জমি মসজিদের নামে দান করেন। মসজিদের নিজস্ব জমিতে মুসুল্লিরা পাকা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
দেখা যায়,মসজিদটির নিচের অংশের বিম পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে। এরপরে মসজিদের মধ্যে জমি পাবে এমন অভিযোগে নির্মাণ কাজে বাধার সৃষ্টি করছে এক ব্যক্তি।
ওই বাজার এলাকার মুসুল্লি মো. আবুল হোসেন (৭০), মো. আব্বাস উদ্দিন (৫৫), মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৫২) ও মো. সেলিম হাওলাদার (৭০) অভিন্নভাবে বলেন,মসজিদের দাগে দশমিক ৬২ শতাংশ জমির মালিক মো. শাহ আলম হাওলাদার। তাঁর জমি মসজিদ লাগোয়া দক্ষিণ পাশে রেখে দেওয়া হয়েছে। তিনি ওই জমি মসজিদের উত্তরপাশে পথের মধ্যে দেওয়ার দাবি করে মসজিদের নির্মাণ কাজে বাধার সৃষ্টি করছে। নির্মাণের শুরুতে বাধা না দিয়ে এখন বাধা দেওয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
আর পথের মধ্যে তাঁর (শাহ আলম) জমি দিলে মসজিদটি নির্মাণ করা সম্ভব না।
তাঁরা আরও বলেন,এ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে ফয়সালা করে রোয়েদাদ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরে নিচের বিম নির্মিত হওয়ার পর আবার বাধার সৃষ্টি করছে।
মোছা. ছবি তারা বেগম (৩৫) নামের এক নারী বলেন,উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মসজিদের নির্মাণ কাজে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। একটি পরিবার ছাড়া চুনারপোল বাজার এলাকার সবাই মসজিদের জমিতে মসজিদ নির্মাণ করার পক্ষে।
এ বিষয়ে শাহ আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর দুই ছেলে মো. মামুন (৩৫) ও মো. রাসেল (৩২) অভিন্নভাবে বলেন,তাঁদের জমি উত্তর পাশেই দিতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন,মসজিদ সবার। খাসজমি ছেড়ে মসজিদের নিজস্ব জমিতে মসজিদের ভবন নির্মাণের উদ্যোগ খুবই ভালো। এতে বাধা দেওয়া ঠিক হচ্ছে না।









