মো. বেল্লাল হোসেন, দশমিনা: পটুয়াখালী দশমিনায় তেঁতুলিয়ার তীরবর্তী বরগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর এলকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
আজ রোববার সকাল ১১ টার আউলিয়াপুর এলাকর তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী আউলিয়াপুর দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন বেড়িবাঁধ ব্লক পাড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধনে স্থানীয় ইউপি সদস্য, গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, জেলে, শ্রমিক সহ নানান পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ তীরবর্তী এলাকা বাঁশবাড়িয়া, ঢনঢনিয়া, হাজিরহাট, গোলখালী, আউলিয়াপুর , দক্ষিণ রনগোপালদী, পাতার চর, ঘূর্ণীচর আলাকার কৃষি জমি ও বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাদ্রসা নদীর গর্ভে বিলিন হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় ভাঙন তিব্র আকার ধারন করছে। আউলিয়াপুর এলকার তেঁতুলিয়া নদীর সংলগ্ন ইউলিয়াপুর দাখিল মাদ্রসা সংলগ্ন নদীন ভাঙন রোধে ব্লক দিলেও বর্তমানে তা তেঁতুলিয়া নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। বর্তমানে তেঁতুলিয়া নদীর ক্ষিপ্রতা এতটাই প্রকপ যে ৪৪ নং গুলিআউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আউলিয়াপুর দাখিল মাদ্রাসা সহ কৃষি জমি ও ব্লক নদীর গর্ভে চলে যাবে।
স্থানীয়রা দাবি করেন, তেঁতুলিয়া নদীর বর্তমান যে স্রত তাতে ৪৪ নং গুলিআউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আউলিয়াপুর দাখিল মাদ্রাসা সহ কৃষি জমি ও ব্লক নদীর গর্ভে চলে যাওয়া সময়ের ব্যাপার। তাই উপজেলা প্রশাসন নদী শাসনে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে স্কুল, মাদ্রসা ও কৃষি জমি রক্ষা করা যাবেনা। মানববন্ধনের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও পনিউন্নয়ন কোর্ড কতৃপক্ষকে জনস্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়।
রনগোপালদী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ অলিউল ইসলাম রুবেল বলেন, উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর দাখিল মাদ্রাসা ও ৪৪ নং গুলি আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর তীওে ব্লক দিলেও তা বর্তমানে নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। বর্তামনে নদীর যে তীব্র প্রকপ মাদ্রাসা, স্কুল সহ কৃষি জমি হুমকির মুখে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ দ্রুত নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানাই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত(ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, উপজেলায় যোগদান করার পর উপজেলা তীরবর্তী এলাকা তেঁতুলিয়ার ভাঙগে করলিত। এ বিষয়ে সরজমিনে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছি। আমি তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে জানিয়েছি তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্ববাধায়ক মোঃ শাহনেওয়াজ তালুকদার এবং নির্বাহী প্রকৌশলী(পুর) মোঃ রাকিব কে একাধিক বার ফোন করা হলে ফোন রিসিভ করেনি।
প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক(এমপি) বলেন, দশমিনা-গলাচিপা দুই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৭ টি স্থানে তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী এলাকা তীব্র ভাঙনের কবলে। তার মধ্যে দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট ও আউলিয়াপুর এলাকা তেঁতুলিয়া নদীর তীব্র ভাঙনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাস স্থল ও কৃষি জমি নদীর গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।
আমি পানিসম্পদ মন্ত্রীকে এ বিষয়ে আকাধিকবার ব্যক্তিগত ভাবে জানিয়েছি। একটি চিঠি রেডি করেছি মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করবো। আর পূর্বে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন রোধে যে সকল কাজ করেছে তা সঠিক ছিলোনা। এ কাজের দুই এক বছর পরপর রিপাইরিং করতে হয় । সঠিক পরিচর্জার না করার কারনে ভাঙন রোধে দেওয়া জিও ব্যাগ ও ব্লক নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে।









