প্রতিনিধি, বাউফল:
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে শওকত আরা বেগম মুন্নি নামের এক প্রবাসি নারীর নয় শতাংশ জমির মধ্যে বিশাল আকৃতির পানির ট্যাংঙ্কি বসিয়ে জবর দখল ও ইমরাত নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শওকত আরা বেগম তাঁর মালিকাধীন জমি উদ্ধার পূর্বক ইমরাত নির্মাণে প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য বাউফল পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।
শওকত আরা বেগম অভিযোগ করেছেন,তিনি বাউফল পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেএল ১২৩ নম্বরের ৮০৩ নম্বর খতিয়ানের ১৭৫ নম্বর দাগের নয় শতাংশ জমির কবলা সূত্রে মালিক। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে অষ্ট্রেলিয়া বসবাস করছেন। সেই সুযোগ নিয়ে তাঁর জমির আংশিক দখল করে মো. ফরিদ উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী সাবেক কাউন্সিলর নার্গিস আরা বেগম বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। আমার ছোট ভাই মো. সুমনের মাধ্যমে জানতে পারি বর্তমানে তাঁর (শওকত আরা) জমিতে আবার ফরিদ উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী নার্গিস আরা বিশাল আকারের পানির ট্যাংঙ্কি স্থাপন করেছেন।
শওকত আরা আরও অভিযোগ করেছেন, পানির ট্যাংঙ্কি স্থাপনের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তাঁর সঙ্গে ফরিদ উদ্দিন ও নার্গিস আরা অসৌজন্যমূলক আচরন করেন এবং তাঁর ভাই সুমেনকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এমনকি তাঁদের (ফরিদ উদ্দিন ও নার্গিস আরা) মেয়ে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তা রেজওয়ানা তামান্না হুমকি দিয়ে বলে, তোর বাংলাদেশে আশা বন্ধ, এই জমি তাঁর বাবা ও মা (ফরিদ উদ্দিন ও নার্গিস আরা) ভোগ করবে।
শওকত আরা মুঠোফোনে বলেন,তিনি তাঁর জমি দখল মুক্ত করে ইমারত নির্মাণে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ বিষয়ে নার্গিস আরা বলেন,‘অস্থায়ীভাবে পানির ট্যাংঙ্কি স্থাপন করেছিলাম। তা সরিয়ে নিয়েছি। সীমানা দেয়াল নির্মাণ করে তাঁদের (নার্গিস আরা) ভবনের জানালা বন্ধ করে দিতেছিল। জানালা যাতে বন্ধ না হয়, সেদিকটা লক্ষ্য করে কাজ করার জন্য বলেছি, এর বাহিরে কিছুই বলিনি। জমি দখল কিংবা হুমকির অভিযোগ সত্য না।’
বাউফল পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন,‘প্রবাসির জমি দখল করার কোনো সুযোগ নাই। অভিযোগ পেয়েছি, এ বিষয়ে বাউফল থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’









