আহাম্মদ ইব্রাহিম অরবিল, দশমিনা: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সহযোগিতায় জৈব সার ব্যবহার ও সঠিক পরিচযার্য় আঙ্গুর চাষ করে কৃষি উদ্যোক্তা মো.আকরাম হোসেন নতুন চমক দেখিয়েছে। তার বাগানে আঙ্গুর গাছে এখন থোকায় থোকায় পাঁকা আঙ্গুর শোভা পাচ্ছে। উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের এই কৃষি উদ্যোক্তা তার কৃষি খামারে আঙ্গুর চাষ করে বাজিমাত করেছে। কৃষি উদ্যোক্তা আকরামের আঙ্গুর চাষের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
প্রত্যেকটি গাছে গাছে থোকায় থোকায় আঙ্গুর ঝুলে থাকতে দেখে উপজেলায় রীতিমত সাড়া ফেলেছে। কৃষি উদ্যোক্তা আকরামের কৃষি খামারে আঙ্গুরের ব্যাপক ফলনে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আঙ্গুরের ব্যাপক ফলন হবে। উপজেলায় কৃষকরা আঙ্গুর চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠবে। উপজেলা কৃষি বিভাগ আগামী বছর বানিজ্যিক ভাবে আঙ্গুর চাষ করার জন্য কৃষকদেরকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে। উপজেলার পরিবেশ ও মাটি আঙ্গুর চাষের জন্য উপযোগী।
উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের সফল কৃষি উদ্যোক্তা আকরাম হোসেনের কৃষি খামারে কৃষক পযার্য়ে সমতল জমিতে আঙ্গুর চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছে। উপজেলায় এই প্রথম আঙ্গুর চাষ করে তিনি এই সফলতা পেয়েছে। খামারের সমতল জমিতে হলুদ আঙ্গুরের ব্যাপক ফলন হয়েছে। খামারে আঙ্গুর চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকতার্ কৃষিবিদ মো.জাফর আহমেদ খামার পরিদর্শন করে কৃষি উদ্যোক্তা আকরামের প্রশংসা করেছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় কৃষক আকরাম খামারের জমিতে আঙ্গুর চাষ করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকতার্র পরামর্শে জমিতে আঙ্গুর চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছে। আঙ্গুরের চারা রোপনের ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যেই গাছে ফুল ও ফল আসা শুরু হয়। জৈব সার ব্যবহার করায় বিষমুক্ত হওয়ায় ক্রেতার কাছে আঙ্গুরের চাহিদা বেশী থাকে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের পরামর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে কৃষক আকরাম সমন্বিত খামারের সমতল ভূমিতে আঙ্গুর চাষ করতে আগ্রহী হয়। তার খামারের আঙ্গুর গাছে থোকায় থোকায় এখনও আঙ্গুর শোভা পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় কৃষক আকরাম আঙ্গুর চাষ শুরু করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকতার্র পরামর্শে ও উদ্বুদ্ধ হয়ে আঙ্গুর চাষ করেই বাজিমাত করেছে।
তার খামারে আঙ্গুরের ফলনে সবাইকে তাক লাগিয়ে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর চিন্তা করছে। উপজেলায় এই প্রথম কৃষক পযার্য়ে আঙ্গুরের চাষ করা হয়। তার খামারের আঙ্গুরের গাছের গিটে গিটে থোকায় থোকায় পাঁকা আঙ্গুর ঝুলছে ও শোভা পাচ্ছে। খামারে আঙ্গুরের ফলন দেখে এলাকার সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গেছে। কম জমিতে উন্নত জাতের আঙ্গুরের চারা রোপন করার পর একটু পরিচযার্ করলেই ভাল ফলন পাওয়া যায়। খামারে আঙ্গুরের ব্যাপক ফলন হয়েছে।
দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকতার্ কৃষিবিদ মো.জাফর আহমেদ দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধিকে জানান, কৃষি উদ্যোক্তা আকরাম হোসেন তার খামারের সমতল জমিতে আঙ্গুর চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছে।








