পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারী এর প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন এবং সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান কর্তৃক ১২ জন সহকারি শিক্ষকদের কাছ থেকে বিদ্যালয় জাতীয়করনের কথা বলে ২০ লক্ষ টাকা জোর পূর্বক আদায়, বিভিন্ন অন্যায় এবং অনিয়মের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকাল ৩ টায় পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারী এর সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।
এসময় বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী সহকারি শিক্ষক মো. নুরুজ্জামান, মোঃ লোকমান হোসেন, পারভীন সুলতানা, ফারজানা পলিন, বাসন্তি রানী দাস, মো. আমির হোসেন, সুলতানা আফিয়া আক্তার, সঙ্গীতা রানী দেবনাথ, মৌসুমি আক্তার মিতু।
ভুক্তভোগীরা শিক্ষকরা বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে সেমিনারীর প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক এবং তাদের ঘনিষ্ঠ শিক্ষক কতৃক গোপনে একতরফা ম্যানেজিং কমিটি করে প্রতিষ্ঠানে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তরা আরো বলেন, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানের ২০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১২ জন শিক্ষকের কাছ থেকে জাতীয়করনের কথা বলে ২০ লক্ষ টাকা জোর করে নেন প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক। অদ্য পর্যন্ত জাতীয়করন করা হয়নি। আমরা টাকা ফেরত চাইলে উল্লেখিত শিক্ষকদ্বয় তালবাহানা করে বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সাংসদ ও জেলা প্রশাসক এর কাছে একাধিক আবেদন করেছি।
এ বিষয়ে লতিফ মিউনিপ্যাল সেমিনারীর প্রধন শিক্ষক মো. জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কোন টাকা নেইনি। সরকারী করনের জন্য শিক্ষকরা মিটিং করে রেজুলেশন করেছেন। শুনেছি লতিফ সেমিনারী জাতীয়করনের জন্য টাকা লেনদেন করেছেন সহকারি প্রধান শিক্ষক। আমি একটি টাকাও কারও কাছ থেকে গ্রহণ করিনি।









