হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা): বরগুনার আমতলীতে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে পুলিশে দিলেন মা। বিচারের জন্য একাধিকবার পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে গেলেও ভিকটিম কিশোরী মেয়ে ও তার মায়ের কথা কেহ আমলে নেয়নি। বাধ্যহয়ে বাদী হয়ে মালমা দায়ের করে স্বামীকে পুলিশে দিলেন স্ত্রী শাহিনুর বেগম। তিনি স্বামীর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাইলেন।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী(উড়শিতলা) গ্রামের ছদ্ধ নাম (বকুলী) ১৩ বছরের এক কিশোরীকে টানা দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা ওসমান মোল্লাকে (৩৮) আটক করেছে আমতলী থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১২ টার দিকে আমতলী থানায় অভিযোগ করেন ওই ভিকটিম কিশোরীর মা মোসাঃ শাহীনুর বেগম। দুপুরেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষক ওসমান মোল্লাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
কিশোরীর মা শাহিনুর বেগম জানান, আমার শারিরিক সমস্যা থাকার সুযোগে আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে আমার স্বামী। গত দুই বছর ধরে তিনি আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছে। প্রথম দিকে ধর্ষণের কথা বিশ্বাস হয়নি কিন্তু একাধিকবার আমার সামনে এসব কান্ড ঘটিয়েছে। আমার কাছে একাধিকবার শুধরানোর সুযোগ চেয়েছে কিন্তু বারবার একই কান্ড ঘটিয়ে চলছে। তাদের স্বজনদের কাছে বিচার চেয়েও বিচার পাইনি। আমি আমার স্বামীর দৃষ্টান্তমুলক বিচার চাই। যেন পৃথিবীর কোনো বাবা এমন ঘৃণ্য কাজ না করে।
এবিষয় জানতে চাইলে ধর্ষক ওসমান মোল্লা নিজ মেয়েকে একাধিক বার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু হাচনাইন পারভেজ জানায়, প্রাথমিকভাবে ভিকটিম মেয়ে এবং তার মা জবানবন্দিতে ধর্ষণে কথা বলে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভুক্তভোগী ভিকটিম কিশোরীকে শারিরীক পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।









