সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ প্রদান, বাজেটে বরাদ্দ রেখে ৯ ম জাতীয় পে- স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের দাবীতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারিরা।
শুক্রবার (৮ মে) সকাল ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারি কল্যান সমিতি পটুয়াখালী জেলা কমিটির আহবায়ক কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মু. শাহাবুদ্দিন মুন্সী এর সভাপতিত্বে ও জেলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি মোঃ গোলাম কিবরিয়া’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা- কর্মচারি কল্যান সমিতি কেন্দ্রীয় আহবায়ক মোঃ আব্দুল মালেক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম।
জেলা কালেক্টরেট সহকারি সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ রেজাউল করিম এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রতিনিধি সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শাহিন খান, জেলা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ মুনীরুজ্জামান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর প্রতিষ্ঠান সমিতির নেতা মোঃ মাহাতাব উদ্দিন, মোঃ শহজাহান সিকদার, মোঃ আবু জাফর, মোঃ শহীদ বিশ্বাস, মোঃ নজরুল ইসলাম, মো.মোতাহার হোসেন, মো.কামাল হোসেন, মো. হারুন আর রশিদ, মোঃ শামিম মৃধা, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, খবির উদ্দিন হাওলাদার, আঃ গফফার বিশ্বাস ও খলিলুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন দীর্ঘ ১১ বছরেও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও বেতন কাঠামোয় কার্যকর কোনো পরিবর্তন না আসায় দেশের ২২ লক্ষ কর্মকর্তা- কর্মচারী পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পন্য কর্মচারীদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে পজিটিভ কোন খবরে সূত্র ধরে বার বার দ্রব্য মুল্য বেড়েছে, বর্তমান নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরও বহুবার দ্রব্য মুল্য বেড়েছে, ফলে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের অধিকাংশ কর্মচারী ব্যাংক, বীমা ও প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। মাস শেষে ঋণের কিস্তি পরিশোধের পর যে বেতন হাতে থাকে, তা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিনের বেশি সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে “কাজ বেশী, মাইনা কম”।
এমতাবস্থায় বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে সর্বোচ্চ দুই ধাপে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে অন্যান্য ভাতাসমূহ কার্যকর করা হলে দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে এবং দেশের প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবার কিছুটা স্বস্তি পাবে।
বক্তারা আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবসময় পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের অগ্রযাত্রায় তাদের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।
সভায় বক্তারাসহ উপস্থিত শত শত কড়মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ আসছে জাতীয় বাজেট ঘোষনার আগে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের দাবী করেন।









