হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী: বরগুনার আমতলীতে সিএনজি ও মাহেন্দ্র স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে পৌর শ্রমিক দলের আহবায়ক মো. মিল্টন হাওলাদার ও তার সহযোগী লাইনম্যান সুমনকে আটক করেছে আমতলী থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরের পরে আমতলী নতুন বাজার চৌরাস্তায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ওই সময় সিএনজি ও মাহেন্দ্র স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায়ের কার্যক্রমও বন্ধ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আমতলী চৌরাস্তায় সিএনজি ও মাহেন্দ্রা স্ট্যান্ডে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিলেন শ্রমিক দল নেতা মিল্টন হাওলাদার। এ নিয়ে গত ৭ মার্চ একই দলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনাও ঘটে। যা এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে বরগুনা-১ (সদর-আমতলী-তালতলী) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহসহ বিএনপির উপজেলা কমিটির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকির, সদস্য সচিব তুহিন মৃধাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বসে আমতলীর সকল স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায় বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রায় দেড় মাস এই কার্যক্রম বন্ধই ছিল। তবে অভিযোগ রয়েছে, এপ্রিল মাসের শেষ দিকে পুনরায় চাঁদা আদায় শুরু করেন আটক হওয়া শ্রমিক দল নেতা মিল্টন হাওলাদার।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সিএনজি ও মাহেন্দ্রা চালক জানান, দেড় মাস বন্ধ থাকার পর গত শনিবার থেকে আবারও চাঁদা আদায় শুরু হয়েছে। এতে চালকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়।
চাঁদা আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করে আটক পৌর শ্রমিক দল নেতা মিল্টন হাওলাদার বলেন, বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকিরের গ্রুপ না করায় প্রতিহিংসা বসতঃ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পুলিশ ডেকে আমাদেরকে আটক করিয়েছেন।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, স্ট্যান্ড থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দু’জনকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








