দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনায় তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট এলাকা পরিদর্শন করেন ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা। সোমবার (০৪ মে) বেলা ১২ টায় পরিদর্শন করেন তিনি।
জানা যায়, উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট এলাকা সহ ঢনঢনিয়া, কেদির হাট, গোলখালী কাটাখালী এলাকা দীর্ঘদিন ভাঙনের মুখে। ২-৩ বছরে প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার নদীর গর্ভে হাজার একর কৃষি জমি ও শতাধিক ঘর বাড়ি বিলিন হয়ে হয়। ২০২২ সালে তৎকালীন সংসদ সদস্যের নিজেস্ব বরাদ্দ দিয়ে জিও ব্যাগ দিয়ে নদী ভাঙগ রোধে ব্যবস্থা গ্রহন করলেও পরবর্তীতে তাও নদীতে বিলিন হয়ে যায়।
বর্তমানে ঐ নদীর তীরবর্তী হাজির হাট লঞ্চঘাট, মসজিদ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভাঙনে হুমকির মুখে। গত এক সপ্তাহ আগে ঐ এলাকার সাধারণ জনগন তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন রোধে মসজিদ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কৃষি জমি, লঞ্চঘাট রক্ষায় মানববন্ধন করেন।
পরে সোমবার (০৪ মে) বেলা ১২ টায় ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে মসজিদ রক্ষায় দ্রুত বয়বস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন ইউএনও।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা সাংবাদিকদের বলেন, আমি দশমিনা উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার যোগদান করার পর উপজেলার গন্যমান্য ব্যক্তি সহ একাধিক সূত্র তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে হাজির হাট মসজিদের বিষয়টি জানান। আজ আমি সরাসরি ভাঙন কবকিত এলাকা পরিদর্শক করে দেখতে পাই হাজির হাট লঞ্চঘট সংলগ্ন মসজিটির পূর্ব অংশ নদীরগর্ভে। মসজিদটি ঝুঁকিতে আছে। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে বিষয়টি আবহিত করে দ্রুত বয়বস্থা গ্রহন করবো।









