মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া: পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা পৌর এলাকার শত বছরের পুরনো খাস পুকুরটি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুকুরটির একমাত্র ঘাটটি ভেঙে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে।
স্থানীয়রা বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক-পলিথিন বর্জ্য পুকুরটিতে ফেলছেন। পুকুরটির এক পাশের গাইডওয়াল বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। সৌন্দর্যহানির পাশাপাশি এখানে আগত পর্যটকরা এখন পুকুরটি ব্যবহার করতে পারছেন না। সংলগ্ন মসজিদের মুসল্লীরাও ওজুসহ বাসীন্দারা ব্যবহারের পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না।
কুয়াকাটা পৌরসভার সড়ক লাগোয়া শত বছরের পুরনো এই পুকুরটি দর্শনীয় স্থানে অবস্থিত। এটিকে ঘাটলার খাস পুকুরও বলা হয়। কুয়াকাটায় আসা পর্যটকরা সৈকতপাড়ে ভ্রমনের পরে এই পুকুরের ঘাটে নেমে হাত-পা ধোয়া মোছার কাজ করতেন। পুকুরঘাটে বসে আড্ডা দিতেন। যদিও পুকুরটির পাড়ের বিভিন্ন ধরনের টিনশেড স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে।
কিন্তু পাকা একমাত্র ঘাটটি প্রায় এক বছর আগে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। এখন আর ব্যবহার উপযোগী নেই। পুকুরটি এখন আর সাধারণ মানুষসহ পর্যটকরা গোসলসহ হাতমুখ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারছেন না। এমনকি অনেকেই এটি বেহাতের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
পর্যটক হাফিজুর রহমান জানান, পুকুরটির পানি এখনো যা আছে তা স্বচ্ছ। পুকুরটি সংষ্কার করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, ব্রিটিশ আমলের খনন করা এই পুকুরটি খনন করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, পুকুরটি সংরক্ষণে একটি পরিকল্পনা চুড়ান্ত করা হয়েছে। চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। খনন করা হবে। ঘাটলা বাধানো হবে। এক কথায় এটিকে দৃষ্টি নন্দনভাবে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।









