বাগেরহাট প্রতিনিধি: বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সরকারি খালের শতাধিক স্থানে অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গত বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে দুই দিনে ঝনঝনিয়া-নালিয়ার সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ কাটাসহ পাটা অপসারণ করা হয়েছে। সব সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ না হওয় পর্যন্ত্য এই অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
পুলিশের সহয়তা নিয়ে সরকারি খালের অবৈধ এসব বাঁধ ও পাটা অপসারণ অভিযানে নেতর্ৃত্ব দেয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী জানান, রাজনৈতিক প্রভাবে বছরের পর বছর ধরে ক্ষমতাবানরা রামপাল উপজেলার অধিকায়শ সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ ও পাটা দিয়ে আটকে চিংড়িসহ মাছ চাষ করে আসছিল। এরফলে মাছের খামারগুলোর মধ্যে সরকারি খালে বাঁধ ও পাটার কারনে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধসহ মাসের পর মাস ধরে লবণাক্ত পানি আটকে থাকায় ধান উৎপাদন কমে যাওয়াসহ গাছপালা মওে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দেয়।
এই অবস্থায় পরিবেশ রক্ষাসহ সরকারি খালে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে জাতীয় সংসদ নিবার্চনের সময়ে সরকারি খালের অবৈধ এসব বাঁধ ও পাটা অপসারণের প্রতিশ্রুতি দেন এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্দেশে বুধবার সকাল থেকেসরকারি খালের শতাধিক স্থানে অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে গত দুই দিনে ঝনঝনিয়া-নালিয়ার সরকারি খালের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ কাটাসহ পাটা অপসারণ করা হয়েছে। অভিযানে অবৈধ বাঁধ ও পাটা অপসারণের মাধ্যমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
অবৈধ বাঁধ ও খাল দখলদারদের তালিকা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি খালের সব অবৈধ বাঁধ কাটা ও পাটা অপসারণ না হওয় পর্যন্ত এই অভিযান চলবে বলেও জানান এই কর্মকর্তার।








