পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলে তীব্র ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং, ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা।
গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এর সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় গরমের তীব্রতা আরও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট জনজীবনকে করে তুলেছে অসহনীয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনে গড়ে ৪ থেকে ৫ বার এবং রাতে ৬ থেকে ৭ বার লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বস্তিতে ঘুমাতে পারছেন না কেউই। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের দুর্ভোগ আরও বেশি বেড়েছে।
এদিকে জেলার প্রায় ২৫ হাজার ২৩০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী এই পরিস্থিতিতে পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্নের মুখে পড়েছে। অনেক শিক্ষার্থী জানায়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না, যা তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে ব্যাহত করছে।
অন্যদিকে, দিনভর কঠোর পরিশ্রমের পর বিদ্যুৎ না থাকায় স্বস্তি পাচ্ছেন না নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। গরমে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফিরেও তারা পাচ্ছেন না বিশ্রামের সুযোগ।
সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সাময়িকভাবে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তারা আশ্বস্ত করেছেন।









