ইউনিয়ন কমিটি গঠন নিয়ে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির রাজনীতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
জেলা বিএনপির নিষেধাজ্ঞার সত্ত্বেও গত ১৭ মার্চ গলাচিপা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক-সদস্য সচিব বিভিন্ন ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেন। পরবর্তীতে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিগত সরকারের সংশ্লিষ্টদের কমিটিতে রাখার অভিযোগে ও জেলা কমিটিকে অবগত না করায় এ কমিটি ভেঙ্গে দেওয়া হয়। এর আগে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থাকায় জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কমিটি গঠন স্থগিত রাখতে বলা হয়।
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটি এমপি নুরের অনুসারীদের সমন্বয়ে গঠিত। এই কমিটি নির্বাচনকালে তার পক্ষে কাজ করার জন্য গঠিত হয়।
অপর দিকে সাবেক কমিটি বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের অনুসারী। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে হাসান মামুনের পক্ষে কাজ করায় কমিটি বিলুপ্ত করে বর্তমান কমিটি গঠন করা হয়।
২০ মার্চ (শুক্রবার) বর্তমান ও সাবেক উপজেলা কমিটির শীর্ষ পদধারীরা জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করেন।
গলাচিপা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান সদ্য ঘোষিত কমিটিতে আ’লীগ সংশ্লিষ্টদের স্থান দেওয়ার তথ্য প্রমাণ তুলে ধরেন।
অপর দিকে গলাচিপা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলতাফ খান জানান প্রায় ৩০০ নেতা কর্মী দিয়ে ইউনিয়ন কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে তার ভেতর ৩ জনকে নিয়ে অভিযোগ উঠায় তাদের পদ স্থগিত ও করা হয়েছিল।
ইউনিয়ন কমিটিগুলোতে হাসান মামুনের অনুসারীরা না থাকায় কমিটি স্থগিতে তার অনুসারীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা যায়।









