দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনায় সংখ্যালঘু পরিবারে গভীর রাতে হাত-পা বেঁধে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলার ঠাকুরের হাট এলাকার জাফরাবাদ গ্রামে সংখ্যালগু নিতাই বাওয়ালি বাড়ি রোববার (২২ ফেব্রুয়ারী) গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পরিবারের সদস্যদের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে স্বার্ণলংকার সহ নগদ টাকা লুটকরে নিয়ে যায় ডাকাতদল।
স্থানয়ি ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারী) গভীর রাতে ৮-১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল নিতাই বাওয়ালির ঘরের দড়জা ভেঙে প্রবেশ করে। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদেরও জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ভেঙে তিনভরি স্বর্ন ও নগদ ৫০হাজার লুট করে নেয় এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে।
ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা নিজেদের কোন ভাবে মুক্ত করে ডাকচিৎকার করলে স্থানীয়রা চলে আসে। পরে এলাকাবাসীদের সহায়তায় থানা পুলিশকে খরব দেয়। এই ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকাবাসীর দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাতদলের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
ভুক্তভোগী নিতাই বাওয়ালি জানান, আমরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। গভীর রাতে আমাদের ঘরের দড়জা ভেঙ্গে ৮-১০ জন লোক প্রবেশ করে পরিবারের সকলকে হাত-পা, চোঁখ বেঁধে একটি রুমে রাখে। পরে আমার নাতীকে কোলে নিয়ে গলায় দা দরে সকলকে বলে যা আছে বের করে দে। আমাদের ঘরের স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে ডাকাত দল চলে যায়। আমরা ডাকচিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে আমাদের বাঁধন খুলে থানায় ফোন করে।
স্থানীয় বাসিন্দা হরিদাস জানান, দীর্ঘ ২৪-২৫ বছরে আমাদের হিন্দু পরিবারে এমন ডাকাতি হয়নি। দশমিনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করবো ডাকাত দলকে চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার করা হয়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ জানান, ঘটনার বিষয় শুনে থানা পুলিশ পাঠানো হয়। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।









