মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন- নির্বাচনকে বানচাল করতে দেশী- বিদেশী ষড়যন্ত্র চলছে। ভারত চায় আবার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসাতে। যাদের নির্বাচন করাতে চায়, তারা সবাই পালিয়ে গেছে।
সেখানে বসে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে নানা ষড়যন্ত্র করে কেউ কিছু করতে পারবে না। আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। নির্বাচনে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, সকল ভোটারকে কেন্দ্রে উপস্থিত করতে নির্বাচনী আচরন বিধি মেনে সকল নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
বৃহস্পতিবার(২৯ জানুয়ারী) বিকেল চারটায় মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী সুবিদখালী, কাকড়াবুনিয়া ও মজিদবাড়িয়াসহ তিনটি ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী আরো বলেন, মরহুম খালেদা জিয়া ও দলের প্রধান তারেক রহমান বিএনপির প্রার্থীদের ৫ বার সার্ভের মাধ্যমে নমিনেশম দিয়েছেন। ভোটাররা তাকে সাপোর্ট করবেন। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের বুঝাতে হবে। পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনে তারা ভুল করেনি। তাই আপনারা চান্দাবাজ,দখলবাজদের দিয়ে ভোট চাওয়াবেন না। তাই মা-বোন ও ভোটারদের কাছে সুন্দর ভাবে ভোট চাইতে হবে।
উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাঠে উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ফরাজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির রাখেন, বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক ভিপি ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক মোঃ জাফর ইমাম সিকদার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মোঃ আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ সাহাবুদ্দিন নান্নু ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আশ্রাফ আলী হাওলাদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আহসান উল্লাহ পিন্টু,কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মজিদবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্মাদক মোঃ মোজাম্মেল হোসেন প্রমূখ।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী–১ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত এবি পার্টির মোহাম্মদ ডা. আব্দুল ওহাব মিনার।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ফিরোজ আলম, জাসদের গৌতম চন্দ্র শীল, জাতীয় পার্টির আ. মন্নান হাওলাদার ও গণঅধিকার পরিষদের মোঃ শহিদুল ইসলাম ফাহিমও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।









