কলাপাড়া প্রতিনিধি: কুয়াকাটা- কলাপাড়া- পটুয়াখালী ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কে অন্তত ১৫ টি বিপজ্জনক বাঁক রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁক পেরিয়ে বাস চলাচলে ক্রমশ দূর্ঘটনা বাড়ছে। বাড়ছে হতাহতের ঘটনা। সবচেয়ে বিপাকে পড়েন পর্যটন এলাকা কুয়াকাটায় আসা পর্যটকবাহী বাসের চালকরা।
একাধিক বাসচালক জানান, কুয়াকাটা থেকে কলাপাড়ায় যেতে কচ্ছপখালী লেক, হাজীপুর (হলদিবাড়িয়া) খালের কালভার্টের বাঁক (মোড়), পাখিমারা স্কুল বাঁক, মাস্টার বাড়ির বাঁক কয়টি খুব বিপজ্জনক।
একইভাবে কলাপাড়া থেকে পটুয়াখালী যেতে সেকান্দর খালী, বান্দ্রা, কলংক, খুড়িয়ার খেয়াঘাটের আগে, আমতলী বন্দরের আগে, আমতলী ফায়ার সার্ভিস অফিস সংলগ্ন, ঘটখালী, আমরাগাছিয়া, মহিষকাটা, ইটভাটা, শাখারিয়া স্কুলসহ আরো কয়েকটি স্পটে রয়েছে বিপজ্জনক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক। দ্রুত গতির বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন সড়কের এমন বিপজ্জনক বাঁক ঘুরতে গিয়ে অহরহ দূর্ঘটনা ঘটছে। ঘটছে হতাহতের ঘটনা।
যদিও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উদ্যোগে এসব বাঁকে সতর্কতা সংবলিত নির্দেশনা স্থাপন করা রয়েছে। তারপরও দ্রুত গতি সম্পন্ন যানবাহন বাঁক ঘুরতে গিয়ে অহরহ দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
বাস চালক আল আমিন জানান, এমনিতেই পটুয়াখালী- কলাপাড়া- কুয়াকাটা ৯০ কিলোমিটার সড়ক টি চওড়া কম। তারপরে এমন ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ( বাঁক) রয়েছে ২০ টির মতো। নিয়মিত চলাচল করা বাসগুলোর চালকরা অতি সতর্ক থাকার পরেও প্রায় সময় দূর্ঘটনাটা ঘটছে। অপরিচিত যানবাহনের চালকরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন। সিগন্যাল দেওয়া থাকলেও অনেক সময় অসতর্ক অবস্থায় দূর্ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন অধিকাংশ সচেতন মানুষ।
ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, এই বাঁকগুলো আসলেই যানবাহন চলাচলের জন্য খুব বিপজ্জনক। চালকদের অসতর্কতা ও দ্রুতগতিতে বাঁক ঘুরতে গিয়ে অহরহ দূর্ঘটনা ঘটছে। ঘটছে হতাহতের ঘটনা। তবে এই সড়ক টি প্রশস্তকরণের সময় বাঁক অনেকটা ঠিক করার সুযোগ আছে। এটি করতে হবে। বাসচালকদেরও এমন মতামত।
এ বিষয় করণীয় জানার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশল কে একাধিকবার মোবাইল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।









