২৮ ডিসেম্বর (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্রী হলের প্রভোস্ট স্বাক্ষরিত নোটিশের বিষয় উল্লেখ করা হয় “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের মাধ্যমে হল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করার কারণ দর্শানো নোটিশ।”
নোটিশে বলা হয়, “উপরোক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে আপনাকে এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন আবাসিক হলে উন্নত খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়। এমর্মে ১৭/১২/২০২৫ ইং তারিখে নতুন ছাত্রী হলে রাতের খাবার পরিবেশনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত বাজেটে খাবার পরিবেশন করা হয়। আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে নতুন ছাত্রী হল এবং হল কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছেন বলে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আপনার এ কার্যকলাপ হল ব্যবহারবিধির পরিপত্র ২.৫ ধারার পরিপন্থী এবং তা হল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এমতাবস্থায়, হলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপের কারণে আপনার বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার সন্তোষজনক জবাব অত্র পত্র প্রাপ্তির ০৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে নিম্নস্বাক্ষরকারী বরাবর দাখিলের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হল।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলা হলে তারা বিজয় দিবসের ফিস্ট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্যমতে, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসে জন প্রতি ৩০০-৪০০ টাকা ফিস্টে ব্যয় করা হলেও তাদের জন্য প্রতিবার একশর টাকার কিছু বেশি বাজেট রাখা হয়। এ ছাড়া ও ফিস্টের জন্য বিভিন্ন হলে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণের চাঁদা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলে ১০ টাকা নেওয়া হলেও অন্যান্য হলে ৩০ টাকা করে নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ এর জুলাই অভুত্থান চলাকালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে দমনে শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় একাধিক শিক্ষার্থীকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তাদের সামাজিক মাধ্যমের কার্যকলাপ প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করা হয়। যার ফলশ্রুতিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তৎকালীন ভিসি পদত্যাগ করেন।









