চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিবেদক: ভোলার চরফ্যাশনে পাঞ্জেখানা মসজিদের নির্মাণ কাজকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিবেশীদের হামলায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধীসহ চারজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর আইচা মোড় মেইন সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-এক পা নেই শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. কামরুল ইসলাম (৩৯), মো. মেহেদী হাসান (১৯), মো. মামুন (৩৫) ও মোরশেদা বেগম (৩২)। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযুক্তরা হলেন-একই ওয়ার্ডের প্রতিবেশী আব্দুর রব বেপারী (৮৫), সানাউল্লাহ (৩৫), জাকির হোসেন (৪০), ইমাম হোসেন (৩৫), ইউসুফ (৩২)সহ তাদের সহযোগীরা।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত কামরুল ইসলাম জানান, ১৯৯৮ সালে উত্তর আইচা মোড় মেইন সড়কের পাশে বেপারি বাড়ি পাঞ্জেখানা মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে নিয়মিত মুসল্লীরা সেখানে নামাজ আদায় করে আসছেন। চলতি বছরের বর্ষায় মসজিদটি ঝরে হেলে পড়ে। পরে তার প্রতিবেশী আব্দুর রব বেপারী গংরা মসজিদটি ভেঙে দিয়ে সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করতে চান।
তিনি আরও জানান, সমাজের মুসল্লীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার সকালে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করা হলে আব্দুর রব বেপারী গংরা তার ওপর হামলা ও মারধর করেন। তাকে উদ্ধার করতে গেলে তার পরিবারের আরও তিনজন আহত হন। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার দাবি করেন।
অভিযুক্ত আব্দুর রব বেপারীকে পাওয়া যায়নি। তবে তার ছেলে ইমাম হোসেন বলেন, মসজিদের নির্মাণ কাজ নিয়ে স্থানীয় সালিশদারদের মাধ্যমে বিচার হওয়ার কথা ছিল। বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগেই নির্মাণ কাজ শুরু করায় সেখানে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় স্থানীয় মুসল্লী ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
শশীভূষণ থানার (ওসি) ফকরুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








