ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, ‘‘এই দেশে আযানের শব্দে বাচ্চাদের ঘুম ভাঙে, আযানের শব্দে বাচ্চারা মায়ের কোলে ঘরে যায়, সেই দেশে ইসলাম নামক নীতি আদর্শ পরাজিত। এখন ৫ই আগস্টের পরে ইসলামকে গাছ হিসেবে দাড় করাবার একটা সুযোগ এসে গেছে।’’
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাতে পটুয়াখালী পৌর শহরের ঝাউতায় বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলন ও ওয়াজ-মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘‘ভারতের শকুন চক্ষু আমাদের দেশের দিকে শকুন চক্ষুর নজরে তাকিয়ে আছে, যে গন্ডগোল গণ্ডগোল কেমনে বাজানো যায়। ওদের বড় একটা ক্ষেত্র হলো সংখ্যালঘু। ওরা তামাম বিশ্বের কাছে একটা প্রচার করে ফেলবে যে, বাংলাদেশে হিন্দুদের জানমালের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। ওদের ঘরবাড়ি জ্বালাইয়া দিতেছে।’’
ভারতের মিডিয়ার বিভিন্ন মিথ্যা সংবাদ প্রচার সম্পর্কে রেজাউল করীম বলেন, ‘‘এরা রাত্ররে দিন বানিয়ে, দিনকে রাত বানিয়ে সংবাদ প্রচার করেছেন। তখন বাংলাদেশে (হিন্দুরা) বাদ্য হয়ে বলছে- এধরণের ঘটনা আমাদের বাংলাদেশে নেই। ’’
রেজাউল করীম বলেন, ‘‘আমরা নামছিলাম তখন দেশকে রক্ষার জন্য, সংখ্যালঘুদের জান-মাল-ইজ্জত, ওদের উপাসনালয় সহ কোনো যেন ক্ষতি করতে না পারে এবং রিউমার ছড়িয়ে তামাম বিশ্বের ভিতরে যেন দেশকে অশান্তি করতে না পারে- এজন্য আমরা নামছিলাম দেশকে সংরক্ষণের জন্য। যখন রাস্তায় কোনো ট্রাফিক ছিলো না, তখন কিন্তু আমরা যারা ইসলামের নীতি আদর্শ লালন করি- তখন আমরা নামছিলাম রাস্তায় খাদেম হিসেবে ট্রাফিকের সিগনালের দ্বায়িত্ব পালন করার জন্য। আর যাদের সাদেকিন বান্দাদের সাথে সংস্পর্শ নাই, তখন তারা ওদের সংস্পর্শে যায়নি, তখন তারা নেমেছে চাঁদাবাজির জন্য। ঘাট-স্টেশন দখলের জন্য নামছে, তখন কেস বানিজ্যের জন্য নামছে।’’
বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি আয়োজিত সম্মেলন ও ওয়াজ-মাহফিলে চরমোনাইয়ের বিভিন্ন জেলার ভক্ত-সমর্থক ও ইসলাম প্রিয় জনতা উপস্থিত ছিলেন। এসময় লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় পটুয়াখালী শহরের ঝাউতলা এলাকা।









