দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় শুক্রবার জুমার নামাজের এর মধ্য দিয়ে শতবর্ষী মসজিদের উদ্ধোধন করা হয়েছে।
উপজেলা দশমিনা সদর ইউনিয়নের হাজিরহাট গ্রামে হাজিবাড়ির সামনে “ গোলাম রহমান হাজীবাড়ি জামে মসজিদ” নামে পরিচিত।
উদ্ধোধন শেষে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, মওলানা, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ দোয়া মিলাদে অংশগ্রহন করেন।
দেয়া মিলাদ পরিচালনা করেন দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মাওলানা আলহাজ¦ মোসলেম উদ্দিন ও মাওলানা রেজাউল করিম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজির হাট গ্রামের হাজীবাড়ির সামনে ১৯১১ সালে “ গোলাম রহমান হাজীবাড়ি জামে মসজিদ” নির্মিত হয়। স্থানীয় মুসল্লীগন দীর্ঘদিন জরার্জীর্ণ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। গত ২ বছর আগে মসজিদটি নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন করেন ওই বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধ নুরুল হক হাওলাদারের ছেলে জিয়াউল হক সাদ্দাম। নতুন ডিজাইন ও নান্দনিক কারুকাজ দিয়ে মসজিদটি নির্মান করা হয়। শুক্রবার বাদ জুমা স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, মুসল্লি, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে মসজিদটি উদ্ধোধন করা হয়।
সাবেক ওই মসজিদের মুসল্লী ও দশমিনা ইসলামিয়া কামিল মাদ্রসার প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব মাওলানা মোসলেম উদ্দিন জানান, আমি ১৯৭০ সালে এসএসসি পাশ করি। তার আগে হাজীবাড়ির “ গোলাম রহমান হাজীবাড়ি জামে মসজিদে” সুরা ও নামাজ পড়তাম। ওই মসজিদটি অনেক বছরের পুরাতন। আজ মসজিদটি পূনরায় নির্মান করা হলো। সকলের মাধ্যমে এরকম দৃষ্টি নন্দন মসজিদের কাজ হয়না।
জিয়াউল হক সাদ্দাম হোসেন জানান, আমার বাবার বয়স হয়েছে বাবার কথায় বাড়ির শত বর্ষের পুরান মসজিদ নির্মান করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করি। আমার বাড়ির অনেকে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন । আমার ও তাদের সহযোগিতায় মসজিদটি নির্মান করি। এলাকার শত শত লোক নামাজ আদায় করার জন্য দূরের বিভিন্ন এলাকায় নামজ আদায় করতে যান তাদের সুবিধাদার জন্য মসজিদের কাজে করা। স্থানীয় মুসল্লীদের এই মসজিদ করায় নামজ আদায় করা সহজ হবে।









