মেজবাহউদ্দিন মাননু, কলাপাড়া: বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন নেতাকর্মীদের বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় দল বিএনপি। আরো একটা বড় দল ছিল, আওয়ামী লীগ। কিন্তু বর্তমানে ওই দলের নেতা (সবগুলারে) এতিম বানাইয়া তাঁদের নেত্রী (শেখ হাসিনা) দেশ ছাইড়া পালাইয়া গেছে। আর- আমাদের নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাজা দেওয়া হয়েছে। সাড়ে ছয় বছর জেল খাটানো হয়েছে, কিন্তু দেশ ছাড়তে রাজি হননি। শেখ হাসিনা ও তার দল যদি ভালো কাজ করত তাইলে পালাইতে হতো না।’
তিনি আরো বলেন, ‘১৫ বছরে আমার বাসায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ১৫ দফা হামলা-ভাংচুর করেছে। গ্রেফতার করে হাজতে রাখা হয়েছে। কিন্তু দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাইনি।’ তিনি আজ সোমবার দুপুরে কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের বাদুরতলী বাঁধঘাট এলাকায় টিয়াখালী ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের দ্বি-বার্ষিক সম্মলনে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন।
তিনি সমাবেশে অংশ নেওয়া মহিলা দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরো বলেন, ‘ আগামিতে বিএনপি ক্ষমতায় আম তাইলে প্রত্যেক পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’ জনাব মোশাররফ আরো বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলে গেছেন, নারীদেও মূল স্রোতে আনতে না পারলে দেশের মূল উন্নয়ন হবে না। তিনি শতকরা ৩০ জন নারী শিক্ষক পদায়নের ব্যবস্থা করেছেন। আর বেগম খালেদা জিয়া শতকরা ৬০ জনে উন্নীত করেছেন। স্কুলে বাচ্চাদের ফ্রিতে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। এমনকি যাদের সংগতি নেই তাঁদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন।’
টিয়াখালী ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মহিলা দলনেত্রী মাকসুদা বেগম লিলি। উদ্বোধক ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সালমা আক্তার লিলি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সিনিয়র সহসভাপতি জাফরুজ্জামান খোকন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মো. ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সী, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন, কামরুজ্জামান কাজল তালুকদার, জসিম উদ্দিন প্যাদা প্রমুখ। সভা সঞ্চলনা করেন মহিলা দলনেত্রী ফাতেমা নাসরিন সীমা। বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। সম্মেলনে নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।









