গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীতে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোডাউন ও আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৩ টায় পটুয়াখালী ছোট চৌরাস্তা সংলগ্ন ছাত্র অধিকার পরিষদের কার্যালয় থেকে শোডাউনটি শুরু হয়।
বাইক শোডাউনটি পটুয়াখালী ছোট চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে ব্রিজের নিচে দিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঝাউতলা এশে শেষ হয়। বাইক শোডাউনের শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি ঝাউতলা থেকে সোনালী ব্যাংকের মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান সাদ্দাম মৃধা। এতে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও পটুয়াখালী-১ আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষিবিদ মোঃ শহিদুল ইসলাম ফাহিম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক উর্মি ইসলাম, এম সোহেল রানা এবং সদস্য সচিব শাহ আলম সিকদার, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মোঃ রুম্মান ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মোঃ মহসিন ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল মাহমুদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির মোল্লাসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
গণঅধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদ, ছাত্র অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মীরা বাইক শোডাউন ও আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিম। তিনি বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা আশাবাদী—পটুয়াখালী-১ ও পটুয়াখালী-৩ আসনে জনগণ আমাদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে। এককভাবে হোক কিংবা ভোটের জোটে কোন ভাবেই পটুয়াখালী ১ ও ৩ আসনে কোন ছাড় হবে না বলেও কড়া হুঁশিয়ারি দেন।”
জেলা গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান সাদ্দাম মৃধা বলেন, “পটুয়াখালী জুড়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছি। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসম্পৃক্ততা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ভিপি নুরুল হক নুরের নির্দেশনায় আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি।”
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত করেন। স্থানীয় জনগণ ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের মতে, এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।









