পটুয়াখালী দশমিনায় উপজেলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কটে সহদর দুই ভায়ের বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই ক্ষতির পরিমান ৫০-৬০ লাখ টাকা।
দুপুর ১২ ঘটিকার সময় উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের ০৪ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম আলীপুর মৃধা বাড়ি এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম আলীপুর গ্রামের মৃত. গঞ্জোর আলী মৃধার ছেলে মোঃ ইউনূস মৃধা, মৃত. নুরু মৃধা ও ইব্রাহিম মৃধা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম আলীপুর গ্রামের মৃধা বাড়ির মৃত. গঞ্জোর আলী মৃধার তিন ছেলে একই বড়িতে একসাথে তিনটি বসত ঘর নির্মান করে বসবাস করেন। সোমবার দুপুর ১২ ঘটিকার সময় হঠাৎ মৃত. ইব্রাহীম মৃধার রান্না ঘর থেকে আগুনের ধোয়া দেখতে পান ইউনূস মৃধা। বাতাস থাকায় মূহুর্তে আগুন ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে পরে। পরে তিনি ডাকচিৎকার করলে স্থানীয় লোক জন আগুন নিবানোর চেষ্টা করেন। পরে গলাচিপা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দলকে খবর দিলে তারা এসে দুই ঘন্টা চেষ্টার পরে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। আগুনে তিন সহদর ভাইয়ের তিনটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এত করে নগদ ৪-৫ লাক্ষ টাকা ও ঘরের আসবাবপত্র সহ মূল্যবান জিনিস পুড়ে যায়। ক্ষতির পরিমান ৫০-৬০ লাখ টাকা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় চেয়ারম্যান ঘটনার বিষয় শুনে তাৎক্ষনিক ঘটনা স্থলে যান এবং তাদের সাবিক সহায়তার আশ্বাস দেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ইউনুস মৃধা জানান, আমার বাবার তিন ছেলে আমি জীবীত আছি দুই ভাই এই দুনিয়াতে নেই। আমি সহ দুই ভাইর ছেলেরা ব্যবসা করি। আমি গোসল করতে বের হলে উঠানে দাড়িয়ে হঠাৎ দেখি আমার ভাই ইব্রাহিম মৃধার ঘর থেকে আগুনের ধোয়া বের হচ্ছে। দৌড়ে গিয়ে ঘরের মধ্যে ডুকতে চেষ্টা করি। আগনের তাপে ঘরের মধ্যে ডুকতে পারিনি। তখোন ডাকটিচৎকার করলে এলাকার লোক জন সহ ফায়ার সার্ভিসের লোক জন এসে আগুন নিবানোর চেষ্টা করেন। তখোন আমাদের তিনটি ঘর আগনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের ঘরে নগদ অর্থ সহ আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্বার্নঅলংকার যা ছিলো তা পাইনি। এতে করে আমাদের ৫০-৬০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা আজ নিশ্ব হয়ে গেলাম। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।
গলাচিপা উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আর লিডার মোঃ জাকির হোসেন জানান, ঘটনার বিষয় অবহিত হবার সাথে সাথে ঘটনা স্থলে পৌছে ২ ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। আমরা ধরনা করছি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট এর মাধ্যমে আগুন লেগেছে। তিনটি ঘরের মধ্যে থাকা নগদ অর্থ, আসবাবপত্র সহ মূল্যবান জিনিসপত্র সহ ঘর পুড়ে চাই হয়ে গিয়াছে। আনুমানিক ক্ষতির পরিমান ৫০-৬০ লাক্ষ টাকা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, ঘটনার বিষয় শুনে আমি ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছুটে যাই। ঘটনা সত্যি হ্নদয় বিদারক। আমি তাদের ক্ষতির পরিমান নিরুপনে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যানকে নির্দেশনা দিয়েছি। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক মহোদয় আছেন তাদের সাথে আলোচনা করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো।









