পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। এ সময় নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৮ হাজার টাকা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সন্ধ্যা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, “মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন ব্যক্তি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে অবৈধ জাল ফেলে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। অভিযানে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় পুরো প্রজনন মৌসুমে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, “জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।









