পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের অভিযোগে আট জেলেকে দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতে বাউফল উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশের যৌথ অভিযানে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের দণ্ড প্রদান করা হয়।
রোববার দুপুর ১টার দিকে আটক জেলেদের বাউফল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির করা হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল তাঁদের দণ্ডাদেশ দেন।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে তেঁতুলিয়া নদীর কেশবপুর, ধূলিয়া, মঠবাড়িয়া ও চন্দ্রদ্বীপ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে আট জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের বাউফল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন—মো. আরিফ ফকির (২২), মো. রমিজ প্যাদা (২৪), মো. ইসমাইল খন্দকার (২৫), মো. ফিরোজ হাওলাদার (৫০), মো. কবির খন্দকার (৪০), মো. ইলিয়াস ফকির (২৬), মো. সোলেমান সিকদার ও মো. জাহিদুল ইসলাম।
মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নদ-নদীতে ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
তেঁতুলিয়া নদীসহ বাউফলের বিভিন্ন নদ-নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।
আটক আট জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।








