পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার শিক্ষা প্রসারে এক সময় আলো ছড়িয়েছিল ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী বাঁশবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়। কিন্তু দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশকের সেই আলোর মশাল আজ নিভু নিভু। পরিচালনা ও অভ্যন্তরীণ চরম বিশৃঙ্খলার কারণে ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠটি এখন অস্তিত্ব বিলুপ্তির মুখে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটির এই করুণ দশার পেছনে প্রধান কারণ বর্তমান প্রধান শিক্ষকের চরম অদক্ষতা , স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও নিয়োগ বানিজ্যের মত গুরুত্বর অভিযোগ। দুর্বল নেতৃত্বের সুযোগে বিদ্যালয়টিকে কেন্দ্র করে দানা বেঁধেছে স্থানীয় প্রভাবশালী দুটি পক্ষের চরম কোন্দল ও স্বার্থের সংঘাত। পড়াশোনার পরিবেশ ধ্বংস করে বিদ্যালয়টি এখন স্থানীয় রাজনীতির মারপ্যাঁচে কুপোকাত।
অগ্নিতে ঘৃতাহুতি ঢালছে নিবন্ধনহীন ও ভুঁইফোড় কিছু সংগঠনের নামধারী কতিপয় ব্যক্তি। কোনো বৈধতা না থাকলেও এসব চক্রের অনুপ্রবেশ ও অনৈতিক হস্তক্ষেপে স্থবির হয়ে পড়েছে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম। কমে যাচ্ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ভেস্তে যাচ্ছে শিক্ষার মান।
এ বিষয়ে সাধারণ অভিভাবক ও এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান এভাবে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে না। অবিলম্বে অদক্ষ প্রধান শিক্ষকের অপসারণ, প্রভাবশালী ও অবৈধ চক্রের অপতৎপরতা বন্ধ করে বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ঊর্ধ্বতন শিক্ষা কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করছেন তারা। তবে এসব বিষয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসলিমা বেগমের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এলাকার কিছু কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত আছে বলে জানান তিনি। তবে এ বিষয়ে গলাচিপা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান ফেসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে আমি জানতে পেরেছি তবে আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ নেই, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









