আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং কৃষি উপকরণ—সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, পটুয়াখালীর বিভাগীয় মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর উপপরিচালকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, পটুয়াখালীর উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম।
সভায় এজেন্ডাভিত্তিক আলোচনায় বিশেষ করে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন এবং সার, বীজ ও কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. শাহাদাত হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) এইচ এম শামীম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) নাজনীন আক্তার, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার, বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন, রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন, গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার, দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ, মির্জাগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সদরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মোর্শেদা আক্তার মিমিসহ মাঠ পর্যায়ের অন্যান্য কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা।
সভাপতির বক্তব্যে উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম পটুয়াখালী জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সব কর্মকর্তাকে আন্তরিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আমন ফসল উৎপাদনে কৃষক-কৃষাণিরা যাতে প্রয়োজনীয় সার, বীজ ও কীটনাশক যথাসময়ে পেতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৩৮ হেক্টর জমি। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৭৩ শতাংশ জমিতে আমন আবাদ সম্পন্ন হয়েছে।









