পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা এবং জুলাই শহীদ পরিবার ও আহতদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বুধবার বিকেল ৪টায় উপজেলা কনফারেন্স হলরুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আল মামুন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মো. মকবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ আলম শানু, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলতাফ হোসেন আকন, যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব শামিম খান, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশার, সদস্য সচিব সালাহউদ্দিন, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই আন্দোলনে আহত যোদ্ধারা এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল দেশকে নতুনভাবে গড়ার একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকার রাজপথ থেকে শুরু করে বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেন। ছাত্র-জনতার এই আন্দোলন ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের অত্যাচার, লুটপাট, গুম, হত্যা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন সরকারের পুলিশ বাহিনী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে ঢাকার রাজপথের অলিগলি রক্তে রঞ্জিত হয়। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনে নিহত শহীদ ও আহতদের মূল চেতনা বাস্তবায়ন করাই সরকারের প্রধান কাজ।
আলোচনা সভা শেষে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।









